বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

সময়ের কথা

                             বইয়ের নাম : সময়ের কথা
                              কবি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন                         

ভূমিকা :
গাহি সাম্যের গান-
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই,নহে কিছু মহিয়ান। 
বিদ্রোহী কবির এই কবিতাটি এই বইটিকে ভীষণ ভাবে তাড়া করে।আর এই ভাবনা থেকেই হয়তো বা কবি তার কবিতাগুলো লিখেছে।এই বইয়ের প্রতিটি কবিতায় আছে মানব প্রেম,ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসা।মানুষকে ভালোবাসো আর অন্যায়ের প্রতিবাদ করো এটাই প্রকৃত গুন্।একজন মানুষ তখনি মানুষ যখন তার ভিতর থাকবে মানব প্রেম।ঈশ্বরের সৃষ্টির মাঝে সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু হচ্ছে প্ৰেম ভালোবাসা।যার ভিতর এই প্রেম নেই তার অন্তর এক বিরান গৃহ।তাই এসো হে বন্ধুগণ প্রেমেতে মোজো মন।প্রেম যে কখনো মানুষকে দূরে রাখেনা।তাই আসো সবাই হাতে হাত রেখে এক পথে চলি।

লেখকের কিছু কথা :
মহান প্রভুর দরবারে অশেষ শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি যে তিনি আমাকে'সময়ের কথা'নামক কাব্যগ্রন্থটি সম্পন্ন করার তওফিক দান করেছেন।বহু প্রতীক্ষার পর আমার অঢেল ভালোবাসা দিয়ে লিখা এই বইটি শেষ করতে পেরেছি।আমি মনে করি সর্বস্তরের মানুষের কাছে পাঠ উপযোগী হবে এই বইটি।বইটিতে বর্তমান সময়ের কিছু অসঙ্গতি ঘটনার উপর লেখা কবিতা প্রকাশ করা হয়েছে।আমি মনে করি বইটি পরে সুশীল সমাজের মানুষেরা কিছু বুঝতে পারবে।বইটি অনেক যত্ন করে লিখেছি তবুও ভাষাগত কোনো ভুল রয়ে যেতে পারে।যদি বইটির কোনো কবিতার ভাষাগত কোনো ভুলের জন্য কেউ কষ্টপেয়ে থাকেন তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।মহান প্রভুর দরবারে সর্বশেষ প্রার্থনা এই যে বইটি যেন সবার আতর খোরাক হয়ে উঠে। 
                                                                                                                


                                                                                                       মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
                                                                                                        আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ


-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
নারী ধর্ষণ

মেয়ে চাই মেয়ে।
মেয়ে দিয়ে কি করবি?
অবশেষে কাঁদতে হবে,
মেয়ে হবে ধর্ষণের সঙ্গী।
চিৎকার করিয়া কাঁদিতে চাহিয়া,
করিতে পারিনি চিৎকার।
অশ্রু চোখে বুক ফেটে যায়,
কেন থাকি চুপ আর?

আমরা যেন কিছুই দেখিনা,
সবাই অন্ধ বোবা।
সমাজটা যে হয়ে গেছে,
ডিজিটালে সোজা।
ডিজিটালে চলে যেন,
নানান রকম ধর্ষণ।
সে ধর্ষণের শিকার হলো,
শিশু কিশোর সব রকম।

ভদ্র সমাজে চুপ থাকে,
কথা বললে বুক ফাটে
রক্ত লালে লাল করে,
বাংলার সন্তান

চুপ থাকো বাংলার বীর,
মুখে তোমার দেব ক্ষীর
অপরাধীর অপরাধ,
মুক্তি পেলে ক্ষতি কি?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বাংলার গান 

নতুন করে গাইবো আমি,
এই বাংলার গান।
কবে থেকে বন্ধু তোমরা,
আমায় দিবে সম্মান।

বাংলার গান গেয়েছিল,
ওই টুঙ্গি পাড়ার ছেলে।
আবার আমি গাইবো গান,
এই বাংলায় এসে।

বাংলা আমি দেখেছি,দেখিনি বঙ্গবন্ধুকে। 
জিয়া ছিল তার'ই সেনা,এই বাংলার বুকে।
বঙ্গবন্ধুর পরে যখন জিয়া হলো নেতা,
তারই গুনে বাংলায় পেলাম হাজার হাজার সোনা।

তারা ছিল বাংলার গর্ব।
আমরা তাদের করবো কেন ক্ষুন্ন?
তাদের আমরা আজীবন রাখবো,
করে ধন্য ধন্য।

বাংলাদেশ তাদের দান,
গেয়ে যাবো মোরা জয় গান।
আসুক না যত বিপদ,
রুখবো হাতে করবো শপদ।
বাংলার বন্ধু হয়ে ঘোরব,
এই বিশ্ব জগৎ।

আমি হবো বাংলার সৈনিক,
বাংলা রক্ষায় আনবো শত পথিক।
শত শত্রু রুখবো আমি এই শক্ত হাতে,
শত দুষ্কৃতীরা,পথ পাবেনা পালাতে।

দেশ আমি রক্ষা করবো,
স্বাধীন করেছে মুক্তিযোদ্ধ। 
তাদের গান গাইবো আমি,
কেয়ামত পর্যন্ত।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

তুমি নজরুল

তুমি রণবীর।
তোমার কথা বোঝার সবার আছে কি শির?
তুমি উদ্দম পথের পাহাড় চূর্ণ,
ওই মানবের বীর।

লক্ষ্য শব্দের একটি কবিতা,
তুমি নজরুল দিয়েছো শিক্ষা।
তোমার পথের কবিতা বলে,
পেয়েছি আমি দীক্ষা।

তুমি নজরুল সীমাহীন।
তোমার মতো আছে কি কোনো বীর?
সাম্যের গান গেয়েছো তুমি,
তাই তো তুমি সবার শির।

তুমি উন্নত,চির দূর্দমত।
কখনো শির করোনি অবনত
তোমার আদর্শে আমি বাড়িয়েছি হাত,
কখনো করবো না শির অবনত।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
উন্নতির পরেও অভাব 

লও লও লও,
আজ বাংলার মানুষের রক্তে রঙিন করে লও।
তুমি সন্ত্রাস,তুমি উদ্যোগ,
তুমি বাংলার অভিশাপ।
তোমার কারণে বাংলা আজ পেয়েছে যত অপবাদ।
তুমি হিংস্র,তুমি লোভী,
তুমি মানুষের অঙ্গীকার। 
তোমায় নিয়ে মানুষ খুলেছে স্বপ্নের দ্বার। 
ভেঙ্গ না,স্বপ্নে বাধা দিও না। 
চালাও সে পথে,
যে পথে রাছুল গান গেয়ে চলে গেছে। 

তোমার কারণে বাংলা পেয়েছে অপবাদ। 
তুমি যে বাংলার শত্রু,
তাতে নেই কারো প্রতিবাদ। 
ধিক্কার তোমায়,
তোমার কারণে মানুষ খোলে না মুখ তার।
তুমি নরপিশাচ তুমি গিরগিটি,
তোমার প্রতিটি ধাপে চলে দুর্নীতি।
রক্ত দেখে হয় তোমার শান্তি,
তাই বাংলার মানুষ পায়নি কখনো তৃপ্তি।

তোমায় নিয়ে বাংলা আজ গায় কত গান,
ভুলে গেছে তারা আজ সত্যের মান।
সত্য বলে কেন সে হয়ে যাবে বোঝা?
নিখোঁজ সংবাদ নিয়ে দেশ দাঁড়াবে সোজা।
সত্য যে মাটির নিচে চলে গেছে দূরে,
অল্প খুঁজলে পাবনা তারে!
এই সোনার বাংলাদেশে।

তোমার প্রশংসা করে সবাই,
নিজেকে করে ধন্য।
তুমি যে বাংলার শত্রু,
তা খোজে না কেউ করে তন্ন তন্ন। 
খুঁজতে গেলে জীবন যাবে,
এই করে ভয়।
জীবনে তবে পাবে না কেউ,
সত্যের পরিচয়।

এ দেশ আমার স্বাধীন প্রিয়,
কেন থাকবো পরাধীন?
পরাধীনতা নিয়ে ঘুড়ি,
আমি যে বস্ত্রহীন।
গণতন্ত্র হয়েছে হরণ,
আমি যে এখন দাস।
মনের কথা বলবো কাকে?
কেউ বলেনা এসে কান পাত।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
জীবন

হে জীবন,
তুমি এমন এক কষ্টের তীর ছুঁড়েছ !
যার ভরে আমি শংকিত।
চাই না এই আসন্ন জীবন,
কবে হবে মোর মরণ?
সঠিক পথের নাই দিশা,
কবে পাবো সঠিক নেশা।

অবিষণ্ণ এই জীবনে,

খুঁজিয়াছি আমি একজনেরে।
পাবো কি তার দেখা?
জানিনা তো এই ভূমন্ডলে।

জীবনে মোর সুখের তরী,

হারাইয়াছি কোন কালে!
সুখের তরী খুজিলে,
পাবো কি আর আপনজনেরে?
বলোনা আমি খুঁজি কারে?
এ জীবন ধরে।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ছেলের কান্না 

ও মাগো,
আমি যে তোমার পাগল ছেলে,
কষ্ট পাই অতি অল্পে।
হাজার লোকে পাগল বলিলে,
কিছু আসে যায় না শেষে।
তুমি যে মা বোকা বলিলে,
ব্যথা লাগে এই মনে।

ও মাগো,
আমি যে তোমার সেই ছেলে,
বড় হয়েছি আজকে।
নাকে নোলক এনে দিতে পারবো,
তাই তুমি বুকে জড়িয়ে
আমায় বাহ্ বাহ্ বলো।
ছেলে আমার হয়েছে বড়,
তাকে দেখবে একবার কাছে এসো।

যদি আমি ব্যর্থ হই মা,
ধিক্কার দেয় লোকে।
তুমি কেন মা প্রতিবাদ করো না?
কষ্ট যে আমার লাগে।
ব্যর্থ ছেলের করুন কান্না,
কেউ দেখেনা এসে।
তুমি ও মা ছি ছি বললে,
কষ্ট পাই আমি অবশেষে।

সবার কথায় রাগ করিলেও,
চুপ থাকি যে মুখে।
তুমি যে মা ব্যর্থ বলিলে,
মন থাকে না ঘরে।
আমি যে তোমার ব্যর্থ ছেলে ,
কেন কাঁদো পরিশেষে?
আমি মরার পরে,
কেউ যেন কাঁদে না আমায় ভালোবেসে।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মনের চপলতা

লোকে আমায় কিছু বলিবে?
আমি যে পাগল ভবঘুরে!
তোমার নেশায় পাগল হয়ে,
ঘুরছি আমি পথে পথে
তুমি আমার অন্তঃপুরের রানী,
তোমায় ছাড়লে আমার বক্ষ হইবে খালী।
তোমার নেশায় পাগল আমি,
ভালোবাসা দিবে কি?

সকাল বিকাল ভাবি তোমায়!
লোকে হাসে নিয়ে আমায়,
আমি যে এক পাগল ছেলে;
তোমায় ভালোবেসেছি বলে।
হাঁটি হাঁটি তোমায় ভাবি,
তোমায় ছাড়লে পাগল আমি!
তোমায় পেলে খুশি হয়ে,
আকাশ পাতাল যাই ছেড়ে।

ও আমার দেবি,
তোমায় নিয়েই খুশি আমি।
তুমি আমার অন্তঃপুরের রানী,
তাই তো তোমার কথা সকাল সন্ধ্যা ভাবি।
তুমি আমার রাতের সঙ্গী।
দিনে আমি তোমায় ভাবি,
মাঝে মাঝে ছুয়ে দেখি!
তুমি যে আমার অন্তঃপুরের রানী।
তোমার জন্যই পাগল আমি।

তুমি আমার চন্দ্র তারা,   
তুমি বীনে আমি আলো হারা।
তোমার ইশারায় মিটে এই মনের জ্বালা!
তাইতো এই মন হয়েছে আত্মহারা।
তোমাকে ভালোবেসে আমি পাগল পারা,
তাইতো সবাই আমায় বলে পাগলা।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
শেষ দিন

যেদিন বুজবে চোখ দুখানা
দেখা যাবেনা কিছু ,
সামনে থাকবে,
ধুধু  মাঠ সুদূর।

ওদিকে যাবে সবাই,
দৌড়িয়ে পালাবে।
সন্ন্যাসী আর পন্ডিত বাবু
দেখবে বসে বসে।

কত রোদ্র তাপে
কত গরমের মাঝে,
কেউ যাবে হাপিয়ে,
কেউ পার হবে সাঁতার কেটে।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
দিওয়ানা

মনের মাঝে ঝড় উঠেছে,
আকাশ পাতাল ফেড়ে।
সে ঝড়ে ডুপ দিতে,
আমার ইচ্ছে করে।
ঝড় নয়  ঝড় নয়,
আজব কারখানা।
সে কারখানা দেখতে,
আসে হাজার লোকজনা।

আজব ঘরের আজব কারখানা,
দেখেন যারা
পাগল হন তারা,
এই দুনিয়া ছাড়া।

সে ঘরে যায় ভালো,
ফেরে পাগল হয়ে।
পাগলে পাগলে
কত কথা বলে।
পাগলের কথা পাগলে বোঝে,
ভালো মানুষে নয়।
তাদের মাঝে ঝগড়া হলে,
আনন্দ নাকি হয়।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
জীবন বিন্যাস

চিনি চিনি চিনি,
সবই আমি চিনি।
চিনিনা শুধু,
আমার ঘর খানি।
যে ঘরের নাম শুনলে,
চোখ ফেটে জল পরে।
সে জল দিয়ে,
সাগর তৈরী হবে রে।

কারো হবে ঠাঁই,
কারো হবে হাই।
কেউ মরবে ডুবে,
কেউ যাবে সাঁতার কেটে।
দেখা যাবে সেদিন,
কার কত ঋণ।
পাবেন কেউ উদ্ধার,
বিন্যাস তোমার ।


------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
স্বপ্নের ঘর বাধা

অদ্ভুত পথের উদ্ভট মন,
মানে না তা কোনো বারণ।
যেতে চায় সে অচিন পথে,
অচিন সাগর পাড়ি দিতে।

সাত সমুদ্র তেরো নদী,
পাড়ি  দিবো কোনদিন জানি।
বিশ্ব ভবন জয় করে,
শাসন করবো এক শাসক হয়ে।

সে আশা অপূর্ণ,
সুলতান সোলেমানের পূর্ণ।
বিশ্ব ভবন জয় করলো,
অমর রইলো আজও।
নাকি হবো মোস্তফা,
অকারণেই প্রাণ দিবো;
হয়ে চক্রান্তের দরজা।

নাহি করবো নকল,
আমি হবো সফল।
আমার মতো আমি চলবো,
বেড়াবো এই বিশ্ব জগৎ।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আসতে চলো

জীবনের প্রতিটি ধাপে,
কত যদি যায় আসে।
কোনো নদীর কিনার যেন,
পাইনি আজও ঘুরে ফিরে।

কেমনে বলো হয়?
তোমারে খুঁজে বেড়ায়।
বলো কোথায় গেলে?
পাবো অচিন দীঘির পরিটারে।

পরি কি জানো?
মহা রূপবতী কড়ি।
কড়িতে রয়েছে,
মহাবিশ্বের বড়ি।

বিশ্ব আমি জয় করবো।
মানবোনা  কোনো বাধা।
বিশ্ব নেতা হয়ে উড়াবো,
শান্তির পতাকা।

সামনে আমি চলবো,
দৌড়াবোনা জোরে।
পিছনে ফিরে তাকাবোনা আর,
সবুর করবো বহুদিন ধরে।

সবুরেতে মেয় ফলে,
মহামানবের বানী।
সবুরেতে আল্লাহ মেলে,
কত জ্ঞানীর কাহিনী।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বিশ্বাসে মুক্তি

ভবের মায়ায় ছাড়লে জগৎ,
সেথায় মিলবে অন্ন প্রশৎ।
কোথায় গেলে পাবো তারে?
অন্ন দাতা যে হয়েছে।

খেলছো  তুমি নির্জনে ,
দেখা দিবে তুমি কোন দিনে?
ভবের মায়া ছাড়লে তবে,
দেখা হবে নিরঞ্জনে।

আঁধারেতে আলো জ্বালাও।
আলোর বেগ কোথায় পাও?
আলোর যিনি জন্ম দাতা,
সে হয়েছে তোমার ছাতা।
অন্ধকারে ডুবাই কে?
তুমি যে বন্ধু দাতার।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
প্রভাত রবি 

রাতের ঘুম ভাঙিয়ে,
যখন প্রভাত সূর্য ওঠে।
সবাই চিন্তা করে,
কিভাবে সারাটাদিন কাটাবে।
রাত যাবে দিন আসবে 
এটাই যেন নিয়ম।
এই নিয়ম ভাঙাবে,
কারো নাই সাধন।

সকালের সূর্য দেখিয়া 
কেউ বসে ধ্যানে।
কেউ আবার লাঙ্গল নিয়ে 
মাঠে মাঠে দৌড়ে।

এই হলো জীবন যুদ্ধ,
দিনের কাহিনী;
দিন কাটাবে মধুর সুখের,
এই ভাবনা সবার জানি।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বড় পীর

ওযু ছাড়া নাম লইলে কাটা যাইতো শির,
খান্দানে হযরত আপনি বড়পীর দস্তগীর।
আপনার'ই নামে চলে এই দু'জাহান,
আপনি যে খোদা তায়ালার বান্দা মহান।

আপনার'ই নামের গুনে আগুন হয় পানি,
আপনাকে পেয়ে ধন্য এই জগৎ ধরণী।
আপনি যে আওলাদে রাসূল শ্রেষ্ট উম্মত,
আপনাকে ছাড়া পাবেনা,কেউ কোনো জগৎ।

আপনি যে বড়পীর সকল পীরের শির,
তাইতো পীরের সেরা নাম গাউসুল আজম দস্তগীর।
আপনার চরণে সবার স্থান তাইতো কেউ ভোলেনা আপনায়,
তাই আপনি দিয়েন নজর করুনা যেন হয় আমার।

আপনাকে নিয়ে লেখার সাধ্য নেই আমার ,
আপনি যে বড়পীর কতশত নাম বাহার।
মহিউদ্দিন নামটি আপনার আল্লাহ দিয়াছে,
জিলান নগরে জন্ম বলে,সবাই জিলানী বলেছে।
আব্দুল কাদের নামটি আপনার জন্মের মান বায়,
সর্বময় ক্ষমতা আপনার আদর্শে পাওয়া যায়।
কুতুবে রব্বানী আপনি যে আউলিয়ার সেরা,
আপনাকে নিয়ে হয় যেন আমার জগৎ ঘেরা।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
খোকার সকাল

এই সকালে খোকা সোনা,
ঘুম ভেঙেছে দেরিতে।
এতক্ষণ ছিল খোকা আমার,
স্বপ্নের ওই বাড়িতে।

খোকা যেন ঘুম ভাঙিয়ে,
মা মা বলে ডাকিল।
মা আমি যে বিশ্ব সেরা হয়েছি,
তা কি তুমি জানো?

খোকা যেন ঘুম ভাঙিয়ে,
হলো পাগলা শেষে।
স্বপ্নে যে কি দেখেছে,
বলছে মাকে এসে।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বড় ঈদ 

ধন্য ধন্য ধন্য তুমি,
ধন্য এ পৃথিবী। 
তোমারি কোলেতে জন্ম নিলো,
মহামানবের মহামুনি।
তাহারি আগমনে ফুটিলো ফুল,
জন্ম নিলো মানব কুল।
তাহারি চেতনায়  ফিরে পেলো,
মানব সম্মানের মূল।

তাহারি কদমে হাজার সালাম,
দরূদ জানায় আকুল।
তুমি যে মহা মানব,
মোস্তফা আজম।

ধন্য ধন্য ধন্য তুমি,
ধন্য এ পৃথিবী।
তোমার কোলেতে জন্ম নিলো,
মোস্তফা নবী।

যে নবীর পরশে,
জগৎ হইলো উজালা।
সে নবীকে ভুলিবি,
কেমনে করে মন পাগলা।
ভোলা যায় না কোনো জনমে,
বেঁধে রাখি মন পাজরে।
রাখি তারে জনম ধরে,
এই হৃদয়ের মন মন্দিরে।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
হারাইয়াছি ধন

জীবন একটা ছোট্ট রত্তি।
হারাইয়া গেলে পাইনা খুঁজি।
দুঃখ জ্বালা মনে লই,
আপন মানুষ পুড়ে খই।
এক রত্তি জীবনে কত কি করি জয়।

এক জীবনের আহাজারী,
লক্ষ্য জীবনের কান্না।
সবাই বায় শোকের ভার,
শুধু যে উল্লাস তার।

এ জীবনে পেলাম কি?
খুঁজেছি লক্ষ্য মতি।
এক রত্তি জীবনে,
কিছু নাই পেয়েছি।

শোক কাতরে পাগল হইলো,
কিছু নাই খুঁজিয়া পাইলো।
তাহারি সন্ধানে আকাশ বাতাস খুজিলো,
সে যে মনের ঘরে রহিল,
তবু তার দেখা নাহি পাইলো


---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আধুনিকতা

আজ নয়,মধুসূদন রবিন্দ্রনাথ নজরুলের যুগ!
এসেছে আধুনিকতা লেখায় পাইনা সুখ।
সেদিন কি আরও আসবে ফিরে?
যাদের কারণে বাংলা সাহিত্য গেছে জগৎ ছেয়ে।
যাদের জন্য বাংলাকে চেনে জগৎ জুড়ে!
তাদেরকে ছেড়ে বাংলা দেখায়,আধুনিকতা এসেছে।

আধুনিকতার ভিড়ে আমি নজরুলকে গেছি ভুলে,
যার কারণে বাংলা সাহিত্য অমরত্ব পেয়েছে।
রবিন্দ্রনাথের ছন্দ আমি আর করি না স্বরণ,
ছন্দ ছাড়া কবিতামালা হয়ে যায় হরন।
ছন্দের তালে লিখেছিলেন,মধুসূদন জীবনানন্দ;
ছন্দ ছাড়া কবির,কবিতা হয়ে যায় বন্ধ।

আধুনিকতা আধুনিকতা হারিয়েছি স্বাধীনতা।
তোমার দোহাই দিয়ে হয়েছি বোকা।
তাদেরকে না চিনিয়া হতে চাই কবি একটা,
আমি বড় বোকা।
ওস্তাতকে না চিনিয়া - পেতে চাই আধুনিকতা।
তাইতো পাইনি অমরত্বের মাথা,
পেয়েছি এক প্রতিবন্ধকতা।

কবি বন্ধুরা শোন,
চাই না আধুনিকতা,নজরুল মধুসূদনকে মানো।
আমি থাকতে চাইনা আধুনিকতায় বন্ধি,
করবো আমি নজরুল জীবনানন্দের সাথে সন্ধি। 

কবি বন্ধুরা মোর লেখা পড়ে কয়!
তোমার কবিতায় ছন্দ ছাড়া কথা নাহি হয়,
ছন্দ ছাড়ো কবিতা লিখো,আধুনিকতার ফিরো!
তোমার কবিতা সবাই পড়বে,কবি হিসেবে নিজকে গড়ো।
ছন্দ ছাড়া কবিতা হয়না,এটা আমি জানি!
ছন্দের তাল শিখিয়েছেন রবিন্দ্রনাথ নজরুল ইসলাম'ই।
ছন্দের গুনে কবিতা চলে তা তো আমি বলি!
যাদের কবিতায় ছন্দ চলেনা,তবুও তারা কবি।


হাইরে কবি বাসী।
আধুনিকতার পরশে তুমি,হয়েছ কবি।
পাবে তুমি অমরত্বের ছোয়া!
আমি হতে চাই মাটি।
মানবিকতা শ্রেষ্ট গুন,
মাটিকে করো অনুসরণ।
অমরত্বের ছোয়া পেতে,
মানুষকে ডেকে নাও কাছে।

ও রে রে রে।
এসেছে আধুনিকতা যে,
আমার লেখায় পায় না তা খুজে!
অমর আমি হবো কোন কৌশলে?
না,আমি ভুল করব না!
মধুসূদন রবিন্দ্রনাথ নজরুলকে ছেড়ে যাবো না।
এদেরকে ছেড়ে আমার কবিতা কখনও হবে না।
আমি কবিতায় ভালোবাসি।
ছন্দের তালে যা আসে শুধু তাই লিখি।
কি লিখি,তা কি আমি বুঝি?
আধুনিকতায় না এসে হয়েছি আমি কবি।
তাইতো বন্ধুরা দিলে নাকো দাম,
কি করে রাখিব এই লেখার মান?


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
তুমি বীর জাতি

কোথায় মুসলিম হে বীর জাতি?
দেখ না,আজ মরছে তোমার ভাই তোমার নাতি।
কাস্মীর যাচ্ছে ধুয়ে - নবীর বানী সত্য হলো যে,
পানির বদলে রক্তের বন্যা তৈরি হয়েছে।
মুসলিম জাতি বীর সেনা!
তারা কখনও ভয় করে না।
আজ কেন চুপ রও বীর জাতি?
দেখ না মরছে তোমারই নাতি।

ইমান ইমান ইমান বলো- ইমান পেলে কোথায়?
নিজের ভাই মরে যাচ্ছে,ইমানদার খবর নাহি পায়।
ইমান কেউ দেখে না মুখে-
ইমান থাকে অন্তরে,
হে বীর জাতি,নবীর বানী সত্য করতে যাও জেহাদের ময়দানে।
আমার ভাই তোমার নাতি!
খাচ্ছে আজ অত্যাচারের গুলি।
চুপ রও ভীরু ইমানদারের দল!
দেখাও না তোমার ইমানের আছে বল।
নবীর কথা শুনে সঠিক পথে চল।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
নারী

নারী তুমি এই জগতের অর্ধেক পালনকর্তা,
তোমায় ছাড়া জগৎ হতো না,বলেছে বিধাতা।
তোমার তরে সৃষ্টি এই মাখলুক জাহান,
তুমি যে ধরণী মাতা,তাইতো তুমি মহান।
তোমার পরশে এই পৃথিবী,পেয়েছে আলো!
তাইতো তোমার তরে প্রেম বিলিয়ে,সবাই বাসে ভালো।

পুরুষ হৃদয়হীন।
অন্ধ যুগে না চিনিয়া তোমায়,করেছে বিলীন।
দাসী বানিয়া রাখিয়াছে ঘরে, করেনি তোমায় পূজা!
তোমার সফলতায়,আজ হয়েছে পুরুষ সোজা।

তুমি জ্ঞানী নারী,
তোমার পরশে জগৎ চলে হয় না অশান্তি।
তোমায় যে চেনে না সেই বড় বোকা!
তোমার পরশে উড়ে শান্তির পতাকা।
নারী নারী নারী,
তুমি এই জগতের শাড়ি!
তোমার পরশে শান্তি পাই,
প্রতি ঘরে হাড়ি হাড়ি।
তুমি ছাড়া এই জগতে অন্ধকার দেখায়!
তুমি জননী,মানব তার কূল পায়।

তুমি নারী,তোমার পরশে মন শীতল হাওয়া,
তুমি রমণী,তোমার কারণে জীবনে শান্তি পাওয়া।
গুনগরিমায় তুমি অতুলনীয় সুবাস,
তোমার গন্ধে মন শীতল আকাশ।

তুমি মাতা।
তোমার তরে সৃষ্টি,তুমি মোর ছাতা।
তুমি ছাড়া মানবকুল আসতো না ধরায়!
তুমি যে স্রষ্টা,আমি বলে বেড়ায়।
নারী তুমি সঙ্গিনী।
তোমার অবদানে আমি বড় ঋণী।
মানব বাঁচাতে তুমি দিয়াছ দুগ্ধ,
তোমার পরশে মানব হয়েছে শুদ্ধ।
তাইতো নারী তুমি অর্ধ বিচরঙ্গ।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
অতীতের সুখ

আবার আমি যেতে চাই
ঐ অতীতের কাল,
সেখানেতে চির সুখ
হাসতাম সবাই মিলে।
কেন হারাইলাম এতো সুখ?
ভেবে পাইনা কেন পাইলাম দুখ?
অতীত কালে ফিরিব আমি!
আবার আনিব ছিনিয়া সুখ।

অতীতকাল ভারী মিষ্টি,
অতীতেই সুখের ঘাটি!
অতীত যে ভোলেনাই,
মানব জীবন পুরোপুরি।

বর্তমানে একা থাকি!
সুখ আমি হারাইয়াছি!
সুখের লাগিয়া ঘুরে বেড়ায়,
এই জগতের কানায় কানায়।
সুখ যে কবে দিবে ধরা?
আমার ঘরেরই এক কোনায়।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কেন এমন কর

তুমি কেন এমন কর?
তোমার জন্য কত নির্ঘুম রাত,
পাড়ি যে আমি দিব।

তুমি কেন এমন কর?
ব্যাকুল হৃদয় তোমায় দেখবে বলে,
আজও থাকে পথের ধারে।

তুমি কেন এমন কর?
মনের কথা কি বুঝিন?
তোমার জন্য মনে আমার,
করে আনা গোনা।

তুমি যে আমার প্রিয়সী,
তোমায় দেখব বলে,
গোপন রাত্রে কাঁদি  আমি!
তা কি তুমি বুঝ না?
তুমি কেন এমন কর?

হ্যা তুমি! তুমি কেন এমন কর?
তোমায় ছাড়া কি থাকব আমি?
একা একা কাঁদি ঐ ভোর রাত্রি।

ও প্রিয়া এসো না!
কাছে এসে ভালোবেসে আদর করো না!
একা একা আর যে মন সয় না,
তোমায় ছাড়া আর কিছু বুঝি না।

বার বার ডাকি তোমায়!
তোমার ছবি একেছি মন কোঠায়।
তুমি যে আমার প্রিয়া,
তোমায় ছাড়া একা যায় না থাকা।


তুমি কেন এমন কর?
আমায় দুরে রেখে,
নিরবে তুমি কাঁদো।
দুটি চোখের অংশ্রু জলে,
বুক ভাসিয়ে দাও!
আমায় তুমি কাছে নিতে,
কেন লজ্জা পাও?
বলো না,তুমি কেন এমন কর?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি কবি

আমি যে কবি,
নয় সবার মুখের ছবি!
কতজন কত কি বলে?
হয় যে আমার রাগ মাটি।
আমি সত্যের দিশারি,
সত্যকে পিছু নাহি টানি!
সত্যকে আলিঙ্গন করতে,
আমি ভালোবাসি।

আমি যে কবি,
সবার সাথেই প্রেম করি!
নারী পুরুষ দেখি না আমি,
সবাইকে মানুষ বলি।
আমি প্রেমিক,
হস্তি পিপীলিকার ভেদাভেদ কি করি?
উচু নিচু দেখিনা আমি!
সবাইকে সমান মানি।

আমি যে কবি,
সবাইকে ভালোবাসি।


---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কিছু নাই

এই সকালে সূর্য উঠেছে,
ডুবে যাবে সন্ধ্যায়।
তোমায় ছাড়া একলা আমি,
কেমনে সারাদিন কাটায়?

সকাল সকাল ভাবি আমি,
প্রভাত রবি আলো দিবি।
গ্রহনেতে কালো হবি,
খবরটা কি আমি জানি?

ভাবনার চেয়ে সত্য বড়,
দুনিয়াটা কত কালো ?
ঘুরেফিরে নাই আলো,   
একা থাকায় সব ভালো।

সত্য আছে মাটির নিচে,
মাটি খুঁড়ে পাইনা তারে।
জীবন দিয়ে সত্য খুঁজে,
থাকতে হবে সবার মাঝে।
সত্য জীবন গড়ে,   
থাকবো মোরা সবার মাঝে।

যেখানেতে যাই,
ছাই খুঁজিয়া পাই।       
জীবন যেন পুড়ে,         
গেছে কাঠ কয়লায় মিশে।       
দেহ কাষ্ঠের জীবন নিয়ে,
আছি আমি ভবেতে।

আমায় যে ফেলে দিলো,           
ওইনা বাঁশ ঝাড়েতে।     
কেউ যায়না ঐখানেতে,
একলা আমি থাকি বসে। 
তাইতো আমি দেখে যাই,
জীবনটায় কিছু নাই।     


---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মা  বাবা 

আজ আমি যাবো ছুটে আমার মায়ের কোলে।
সেখানেতে চির শান্তি,
তৈরী হয়েছে যে কোল পৃথিবীর চেয়ে দামি পদার্থ দিয়ে।
মায়ের কোলে শান্তির সুবাস সুখ পাই মনে,
পৃথিবীর কোথাও নেই  সুখ সবই যে তুচ্ছ লাগে।
মা আমার আপনজন তাকে ছাড়া কষ্ট খুব,
তখন বুঝিনা এর কষ্ট যখন দেই পাড়েতে ডুব।
মা আমার রত্ন যে,
মাকে ছাড়া গরিব সব ছেলে।

বাবা আমার অনেক দামি,
পৃথিবী আমায় দিয়েছেন তিনি।
বাবাকে দেখলে প্রাণ ভরে,নিঃশ্বাস নিতে আনন্দ লাগে।
তিনি আমার আদর্শ পিতা পেয়েছি কত সাধনার পরে।
বাবাকে ছাড়া কিছুই শিখতাম না এই পৃথিবীতে।
তিনি আমায় শিক্ষা দিয়েছেন,
কি করিলে ছেলে মানুষ হবে।
তাইতো আমি ভালোবাসি,
তাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কবির কবিতা

কবিতা লিখি কবিতা বলি,

কবিতায় জীবন গড়ি।
কবিতার জন্য সাত সাগর,
পাড়ি দিতে পারি।

কবিতায় বাঁচি কবিতায় মরি,

কবিতায় খাই পড়ি।
কবিতার জন্য হাসতে হাসতে,
সব জয় করতে পারি।

হাসতে হাসতে ছন্দ ভাব,

ভাবতে ভাবতে কবিতা লিখো।
মনের আবেগ ফুটিয়ে তোলো,
কবিতার ভিতর।

ভাব মনে দিয়ে উপভোগ করো,

কবিতা হবে জন্ম জন্মান্তর।
হয়না যেন চুরি তার ভিতর,
জয় করো অমরোত্তর,

কেন তুমি একা?

কবিতার সাথে করো দেখা।
ভেতর আবেগে মিলন রেখা,
এই হলো কবির কথা।

কবি'রা নাহি কখনো একা,

সাথে আছে একাধিক কথা।
মিলনে মিলবে মধুর রেখা,
শব্দে মিলবে ভান্ডার কথা। 


------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মানুষ কেমন

মানুষ কি এমন?
ভুলে যায় সারাক্ষণ,
স্বার্থ ছাড়া করেন স্মরণ।
এই কি মানুষের লক্ষণ?
স্বার্থের মাঝে ডুবে আছে,
যেন সাত রাজার ধন?
তাইতো সবাই করে এমন,
স্বার্থ ছাড়া এ জীবনে,
পাইনি কারো দর্শন।   
   
স্বার্থ বীণে যে এগিয়েছে,
সে যেন বিধাতা।
আমার  কাছে চায়না কিছু,
চায় শুধু প্রেম লতা।
প্রেমের মাঝে ডুবে আছে,
বিধাতার উদারতা।

আসোনা প্রেম করি,
বিধাতার সাথে,
সেখানে থাকবে তুমি,
অমরত্বের তটে।

সাধন করো মন,
সেই মানুষের বড় ধন।
সেই খানেতে পাবে তুমি,
আল্লাহ রাছুলের দর্শন।
সেটা হলো মানুষের কাছে।
অমূল্য রতন।  
সাধন করো মানুষের মন।

যাও তুমি পরবনে। 
সেখানেতে নামাজ হবে।
পরবন নিজের করে ,
দেখা পাবে রাছুলেরে।  
মিলবে তোমার অমূল্য রতন।
যাও তুমি পরবন,
সেখানেতে পাবে তুমি,
আল্লাহ রাছুলের দর্শন।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
জীবন 


হে জীবন।
তুমি এমন এক কষ্টের তীর ছুঁড়েছ,
যার ভরে  আমি শংকিত।
চাই না এই আসন্ন জীবন,
কবে হবে মোর মরণ?
সঠিক পথের নাই দিশা,
কবে পাবো সঠিক নেশা। 

অবিষণ্ণ এই জীবনে,
খুঁজিয়াছি আমি একজনেরে।
পাবো কি তার দেখা?
জানিনা তো এই ভূমন্ডলে। 

জীবনে মোর সুখের তরী,
হারাইয়াছি কোন কালে।
সুখের তরী খুজিলে,
পাবো কি আর আপনজনেরে?
বলোনা আমি খুঁজি কারে?
এ জীবন ধরে।


---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
গুরু প্রেম

ও আমার প্রেমিক,
আপনার  প্রেমে পড়েছি আমি।
তাই ঘুরি এদিক সেদিক।

আপনি নেন আমায় কাছে ডেকে,
আপনাকে দেখবো মন ভরে।
আপনি আমার হৃদয় মনে,
বসেছেন আসন পেতে।

আপনাকে দেখে পাগল হলাম,
আপনারই ছন্দে।
আপনি  আমায় দেবেন কি?
আপনারই পদতলে আছে যে ধূলি।
ওই ধূলিতে ধন্য হবে,
আমারি শির।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
নির্যাতিত পুরুষ 

জীবন যেমন হয় রুদ্রখর,
কষ্টের ভাত তেমনি সিদ্ধ কর।
ক্লান্তি শেষে ঘরেতে ফেরে,
বৌ কেমনে রান্না করিবে।
মাথায় কি চোখ নাই?
ক্লান্তিতে জীবন যায়।
রান্না ঘর দেখো,
ওই দিকে ডাকে তোমায়।

বড় পরিতাপের বিষয়,
বৌকে বলি কেন চাকরি কর।
বৌ থাকবে রান্না ঘরে, 
এটাই তার পরিচয়।

সবাই চলে উল্টো দিক,
বৌ যা বলে তাই ঠিক।
দুজনেই হবো চাকর,
সংসার হবে বৃহত্তর।
চলো যাই ঘরে,
বৌ পাঠাবে রান্নার ছলে।
এই ক্লান্ত দপুরে,
ভাত  নাও নিজ থালে।

চাকর কে বলো তোমার?
তুমি চাইবে আরাম আবার।
অধিকার বাদ দিয়ে,
থাকো একটুও কর্মের দিকে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
খাতা কলম 

আমি চিনি কলম,
মানেনা সে কোনো বারণ;
যেতে চায় সে খাতার পাতায়,
খাতা যেন করিবে পুরুন।

অপেক্ষায় অপেক্ষায় রাত্রি জাগি,
কবিতা কে যে তৈরী করবি?
খালি পেটে জেগে আছি,
এই না ভরা রাত্রি।
কলম আমার সঙ্গী,
দুজন মিলে রাত্রি জাগি।
একই সাথে থাকি মোরা,
হয়না কোনো মারামারি।

খাতা কলমে পিরিতি,
সাক্ষী থাকবে কবি গোষ্ঠী।
বদনাম করবে প্রতিবেশী,
তবু করবে না তারা মিনতি।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি ভুল 

আমি যে নয় অপরাধী,
সেটা আমি ভুল করেছি।
আমি করি না বেয়াদবি,
সেটা আমি ভুল করেছি।
আমি যে মিষ্টভাষী,
সবাই আমায় বলে দোষী।
আমি যে কি করেছি?
জন্মেই ভুল হয়েছি।

মাতৃকোলে জন্ম নিয়েছি,
বাবা ছিল অপরাধী;
মা হলো অভাবী।
আমার জন্মটা যে মিছেমিছি।
করেছি বড় ভুল,
জন্মেছি মাতৃকোল।
মানব রূপে এসে আমি,
হয়েছি অপরাধী।

হে বিধাতা আমার,
উঠিয়ে নাও ঈশা মারিয়াম।
ধন্য হবে মানব জনম,
আর আসবো না দুনিয়ায়।
স্বপ্নের বীজ বুনে,
রয়েছি বহুদিন ধরে।

আমি ভুল ভুল ভুল,
শব্দটি গেঁথেছি হৃদয়কুল।
যেটা করি সেটাই ভুল,
কবে পাবো সঠিক কুল?
সে যে ভুল করেছে,
আমার  জন্মেই ভুল হয়েছে।

পেলাম না খুঁজে একটি মানব,
যে আমার বুঝিবে ক্বলব।
হৃদয় মাঝে আছে ঝলক,
কবে পাবো আলোর ফলক?

ভুল ভুল ভুল,
শব্দটা যে বলেছে এক লোক।
কান পেতে শুনিনী,
তাই জন্মেই করেছি ভুল আমি।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আসিব না ফিরে

আম পাতা জোড়া জোড়া,
আসছে যেন কারা?
আমায় যে নিয়ে যাবে,
না ফেরার ওই বেলা।
কবে যাবো জানিনা,
তাদের আমি চিনিনা।
তাদের আসতে দেখে,
ভয় পাবো আমি অবশেষে।

থাকি থাকি করি,
নাহি থাকিতে পারি।
যাইতে হইবে আমায়,
অচেনা ওই কুঠুরি।

শেষেতে দিবে কষ্ট,
পাপেতে হয়েছ নষ্ট।
জীবন বড় অতিষ্ট,
চাপা দিলে পাবে কষ্ট।
বন্ধু বলবে ছাড়ো তাহায়,
কষ্ট দিওনা আর আমায়।
সে যে আমার প্রিয়জন,
আমার মাঝে একজন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বিতরণ

শাড়ি নামটি অপরুপ,
ঢাকিতে পারে না নারীর রূপ।
নারীতে সুন্দর শাড়িতে গৌরবোজ্জল।
নারী শাড়িতে অপরূপ কল্পনাছল।
বারো হাত শাড়ি পাঁচ ফুট নারী,
অঙ্গ ঢাকিতে পারেনা তাহারি।

দেখো তোমরা দেশ,
নাই কল্পনার লেশ।
ধনীরা পাই ভরি ভরি,
গরিবের কত আহাজারি।

অম্ল সুধা পাইলে,
দিবো আমি বিলিয়ে।
এক মুঠো শস্যে,
জীবন পার হইবে।

সাধন করো মন,
অসহায়ের নিওনা জীবন।
সুন্দর করে দেখিয়ে দিও,
ওই দেখা যায় কাশবন।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
পিরিতের ফল 

পিরিতি জান্নাতের চাবি,
মোর কপালে হইলোনা।
পিরিতি করিল মইনুদ্দীন,
জানাইয়া দিলো যাতনা।

সয়না দেহে পিরিতের ব্যথা,
কেমনে পাবো মাশুকের দেখা?
এইনা মাশুক লুকাইয়াছে,
দেহের মাঝে খেলা করে।


পিরিতি কাঁঠালের আঠা,
লাগলে পরে ছাড়েনা।
এই পিরিতে পাগল হইয়া,
মনসুর যে হইলো দেওয়ানা।
নিজেরে আল্লাহ বলিল,
পূর্ণরূপ বলিল না।
কাফের বলিয়া আখ্যা দিলো,
সমাজ আলেম উলামা।

তুমি থাকো কোন নিরালায়?
দেখা দাও একবার হেথায়।
কি খেলা খেলছো ভবে?
কুল কিনারা নাহি পাই।

তোমার প্রেমে অন্ধ আমি,
পুড়ি দিবা রাত্রি।
সেই প্রেমেতে পাগল হইলো,
কত আশেক মুসাফির।


পিরিতি জান্নাতের চাবি,
পাইলে পরে হারায় না।
এই পিরিতে পাগল হইলো,
গাউসুল আজম রব্বানা।
অমর হইয়া রইলো দুনিয়ায়,
কেউ তাহারে ভোলে নাই।
সবকিছু শাসন করিল,
এই জগতের মাঝখানায়।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ভেদাভেদ

জন্মভূমি তোমায় আমি দেখিয়াছি,
কত রকম মানুষ বেড়ায় সেথায়।
শত কষ্ট দেখিয়াছি,
মুছিবার কেহ  নাই।
ভাঙো বেগ তোলো শির,
হাজার কষ্ট মুছিয়া তুমি,
চলে যাও গাঙতীর।

সেথায় তুমি বাঁধ ঘর,
নাহি কেউ পর।
এক স্রষ্টার সৃষ্টি মোরা,
সবাই ভাই বেরাদর।

কেন এত ভেদাভেদ?
চাই মোরা বন্ধু দেব।
একই রঙের রক্ত মোদের,
কেন করো ভেদাভেদ।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
প্রেমের ঈদ

ঈদের হাওয়া বইছে মনে,
গাইবো সান আমি আল্লাহর সনে।
আশেক রাছুল দিল মনে,
থাকিব আমি রাছুলের দীনে।

জীবন আমার মধুময়,
জেগেছে প্রেম সাগর।
অমরত্বের ছোঁয়া পেতে,
পাগল হওরে রাছুলের প্রেমে।
গোলাম হয়ে ঘুরে বেড়াও,
আল্লাহর দর্শন পেতে।

কত মজা সেই সুধা,
রাছুলের দর্শন মিঠা।
ভোলা কি যায় সেথা,
দেখা দেবে অমর পিয়ালা।
প্রাণ করো অম্ল সুধা,
অমর হবে জগৎ মজা।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কবিতা 

কবিতা কি?
ভেবেছো কি কোনোদিন?
মনের আবেগ ফুটিয়ে ওঠে,
এই হলো কবিতার মূলভিত্তি।
কবি কবি কবি,
নাহি কবিতা হয়।
কবিতা লিখিতে চাই,
আবেগ থাকিতে হয়।

মরুভূমির বুকে চিক চিক করছে,
পানি মনে হয় পা পুড়ে যাচ্ছে।
পানি কোথায় পাই মরুভূমির বুকে?
পানি পেতে হলে সাগর তীরে যাইতে হইবে।
পানি পেয়েছি সাগর তীরে।
কবিতা ফুটিয়ে উঠিবে,
গ্রাম গঞ্জের মাঠে।

নগর শহর জ্যামে ভরা।
কবিতার আবেগ নষ্ট হারা।
ফুটিয়ে তোলো আবেগ,
সাগর তীরে ঢেউয়ের বেগ।
সেই বেগে কবিতার সৃষ্টি,
কবি পাবে নতুন দৃষ্টি।
সেই দৃষ্টিতে ছিল বুলিয়ে ,
দেখে নেবে সমাজ সাগরে।
নতুন ছন্দ মিলে যাবে,
আরেক কবিতার জন্ম হবে।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
টাকায় সব

টাকা টাকা টাকা করি,
টাকার নাই ঘর বাড়ি।
টাকা দিয়া সংসার গড়ি,
টাকাতেই ভাত মিলি।
টাকা আছে যার ভরি ভরি,
সম্মান তার নাহি কারি।
টাকা দিয়া সম্মান কিনি,
সম্মানের নাই অধিকারী।

তুমি আমি একজন,
টাকা আছে সর্বক্ষণ।
নাই কোনো ভেদাভেদ,
টাকাতেই সব শেষ।
টাকা আমার বন্ধুবর,
টাকা দিয়ে সব কর।
গোপন থাকবে সব ঘর,
টাকা আছে কত বের কর।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বিদ্রোহ    

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু,
কে বলে তাহা। 
জাতির পিতা ইব্রাহিম,
বলেন আল্লাহ তায়ালা। 
বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা;
বলিবেন যে,
কাফের মুশরিক ইহুদি,
হইবেন সে।

মুসলমান সারা জীবন,
বলিয়া যায়।
ইব্রাহিম ছাড়া জাতির পিতা,
কেউ নাহি হায়।
এ কথা কোরানেতে,
বলেন পাক রব্বানী।
তোমরা সবাই এ কথা,
প্রচার করো এক্ষনি।

বঙ্গবন্ধুকে বলবো মোরা,
বাংলার জনক।
তার জন্য বাংলায় পেয়েছি,
একটুকু নোলক।

চির অমর বঙ্গবন্ধু,
চির অমর জিয়া।
তাদের নিয়ে গর্ব আমার,
বাংলাদেশকে দেখিয়া।

বাংলাদেশ তাদের দান,
দেবো মোরা এর প্রতিদান।
করবো মোরা শ্রদ্ধা তাদের,
এ দেশকে দেখিয়া।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মানুষ কে 

কে বা গায় কার গান।
নিজেকে নিন্দা করে,
অন্যকে উপরে উঠান।

গাহি আমি সাম্যের গান।
যেখানে সেখানে দেখি,
লোভী সব দারোয়ান।
সবাই টাকাকে করে সম্মান।

একটু খানি লোভে অপমান করে।
মাতৃভূমিকে তুচ্ছ বলে,
দিন রাত গালি পারে।

কে ওরা অর্থলিপ্সু দল।
মাকে অপমান করে,
খালাকে সঙ্গে নিয়ে চল।
বেগে ঝাঁট মারি তাদের,
যাদের কারণে দেশ আজ,
চলেনা সামনেতে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
সংগ্রাম 

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি,
জানাই স্বাগতম তাহাদেরই।
যাদের কারণে দেশ,
স্বাধীন হলো।
পেলাম না স্বাধীনতা,
আমরা আজও।

গর্ব তাদের কোথায় গেলো,
দেশ যারা স্বাধীন করলো।
পরাধীন রয়ে গেলো,
বাংলাদেশ আজও।

পরের কথা শুনতে গেলে,
মাথা যায় নিচে পরে;
দেশ তবে উন্নতির দিকে,
গেলো না আজও রে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ধর্মের জাত

গাহি সাম্যের গান।
যেখানে সবাই মানুষ বলে হয় প্রমাণ।
আমরা সবে কেন বলি জাতের কথা,
জাত এসে খায় যে সব কিছুর মাথা।
জাতের নামে চলি মোরা, হিন্দু বৌদ্ধ মুসলিম খিশ্চান।
সব কিছুর স্রষ্টা এক,তাই মোরা সবাই সমান।
মোল্লা বলিছে,যেও না হিন্দু শাস্ত্রে,
শেরেক হইবে তোমার ঐ মুর্তি দেখিলে।
শেরেকের নামে ধর্ম বাজি চালায় মোল্লা পাজি!
মুর্খ রাজার পূজা হয়ে সব কিছুতে হই রাজি।

পুরুত গনে কইছেন সবে,শোন হিন্দু বাসী!
লাগাইও না তুমি মোল্লার ছায়া,জাত যাইবে চলি।
যবনের ঘরের অন্ন খাইলে জাত যায় চলে!
লক্ষী স্বরসতী থাকেনা,যায় ঘরে ছেড়ে।
সপ্তাহে একদিন যায় ধর্মালয়ে,ঐ খিশ্চান দলে দলে!
তাদের যেন ধন থাকে,প্রতি ঘরে মণে মণে।  
হাইরে ধর্মবাসী!
ধর্মের নামে করো তুমি,মূর্খের দেশে রাজনীতি।

ধর্মের গান গায়,
ধর্ম দিয়ে কেন সে জাতের মাথা খায়?
একই পিতার সন্তান মোরা,কেন জাতের কথা কয়?
মোল্লা পুরুত জাতের মিথ্যা,সব করে জয়।
জাত জাত জাত করে,বিভেদ করে মানুষেরে!
ঐ ধর্ম গুরুর দলে।
মানুষেরে ঘৃণা করে কেমনে,তুমি স্রষ্টারে পাইবে?

তুমি মুর্খ ধর্মবাসী!
গ্রন্থের দোহাই দিয়ে তুমি,মানুষেরে মারো লাথি।
ঐ গ্রন্থ মুল্যহীন ক্ষুদ্র দেহের কাছে,
আজ ভিখারি কাল হইতে পারে রাজ রাজা শেষে।
রাখাল বলিয়া কারে মারো লাথি!
সেই হইতে পারে তোমার দেবতা চোখে দেখেছ নাকি?
তুমি অন্ধ পড়িয়াছ গ্রন্থ,দেখনাই মানুষের মন!
কিভাবে বুঝিবে?ঐ ক্ষুদ্রদেহে আছে এক ধন।
মানুষেরে!সকল সৃষ্টির শ্রেষ্ট করিলেন স্রষ্টা।
কেমনে মারিব আমি ক্ষুদ্র প্রাণিকে লাথি একটা।
ধর্মের পেটে মারি লাথি,
যে ধর্ম মানুষেরে বিভেদ করিতে রাজি।

কোথায়?আদম দাঊদ ঈশা মূসা ইব্রাহিম মোহাম্মদ!
তোমাদের সন্তান ধর্মকে-করেছে নিজের সম্পদ।
এরা আমাদের পিতা পিতামহ,দিয়েছেন আমাদের জ্ঞান!
এরা ছিল সব জামানায়,সব চেয়ে মহান।
তাদের জ্ঞানে হও জ্ঞানী ওহে ধর্ম বাসী!
করিও না তুমি মানুষেরে ঘৃণা,লাগাইও না মিথ্যা দুষি।

ওরা ধর্মের জালে বন্ধি।
কিভাবে করিবে ঐ স্রষ্টার সাথে সন্ধি।
ওরা ধর্মটাকে পুজি করে বড় জান্নাত চায়!
মানুষেরে মেরে কেমনে স্রষ্টারে পায়।
মানুষের মাঝে স্রষ্টা,লুকাইয়া আছেন বসি।
মানুষেরে ভালোবাস,তুমি স্রষ্টারে পাইবে খুঁজি।

শোন ধর্মবাসী।
মানুষেরে ভালোবাসিয়া তুমি স্রষ্টারে লও খুঁজি।
ভেদাভেদ ছাড়ো,আছে যত ধর্মের জাত!
নর ও নারীতে শুধু স্রষ্টারই সেফাত।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
তুমি নওগাঁর সন্তান  

তুমি বীর,
তুমি ছিলে উত্তরবঙ্গের শির!
তোমার মতো নেতা পাওয়া কঠিন,
তাইতো বলি উত্তরবঙ্গ,তুমি তুলনা বিহীন।
তুমি যে উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ট সন্তান,
তাই আব্দুল জলিল তুমি মহান।
তোমার পরশে তৈরী হলো এই মুক্তিযোদ্ধা,
দেশ স্বাধীন করলো যে বাঙালি বীর যোদ্ধা।
বাংলার তুমি ছিলে অতন্দ্র প্রহরী,
তোমার জন্য উত্তরে হচ্ছে বাড়ি গাড়ি।

তুমি নওগাঁর বীর,
তোমার পরে নওগাঁয় নেই কোনো শির!
হঠাৎ করে উঠে দাঁড়ালো তোমার ছেলে,
তাই তো তোমার আদর্শ আছে প্রতি ঘরে ঘরে।
তোমার আদর্শে আদর্শীত এই নওগাঁ,
তোমায় ছাড়া শুন্য দেখায় প্রতিটি গাঁ।

প্রতি রাতে স্বপ্ন দেখি তুমি আমার ঘরে,
না না এ যে তোমার ছেলে।
একা একা ভাবি আমি,
তোমার অভাব পূর্ণ হলো বুঝি!
নওগাঁয় বুঝি শান্তি এলো দুলে,
নিজামউদ্দিন তোমার পরশে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বিজয়ের গান

বিজয় বিজয় বিজয় বলো,
বিজয় পেলে কোথায়?
বিজয়ের জন্য জীবন দিল,
ত্রিশ লক্ষ জনতায়।

বঙ্গবন্ধু জেলে গেল,
কত মা বোন মান হারালো,
শত্রুদের পরাজিত করল,
ওরা বিজয়কে ছিনিয়ে আনল।

বিজয় বিজয় বিজয় বলো,
বিজয়ের মান পেলে কোথায়?
বিজয়কে রক্ষা কর,
শত্রুতে রুখে দাড়াও।

ডিসেম্বর তুমি অমরত্ব,
শ্রেষ্ট একটি মাস।
এই মাসেই পালিয়ে গেল,
দেশের সকল নাপাক।

পাক দেশে জন্ম নিল,
নতুন শত্রু ধিরে।
এতিম করে গেল চলে,
নাপাক দল এসে।ভূমিকা :
গাহি সাম্যের গান-
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই,নহে কিছু মহিয়ান। 
বিদ্রোহী কবির এই কবিতাটি এই বইটিকে ভীষণ ভাবে তাড়া করে।আর এই ভাবনা থেকেই হয়তো বা কবি তার কবিতাগুলো লিখেছে।এই বইয়ের প্রতিটি কবিতায় আছে মানব প্রেম,ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসা।মানুষকে ভালোবাসো আর অন্যায়ের প্রতিবাদ করো এটাই প্রকৃত গুন্।একজন মানুষ তখনি মানুষ যখন তার ভিতর থাকবে মানব প্রেম।ঈশ্বরের সৃষ্টির মাঝে সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু হচ্ছে প্ৰেম ভালোবাসা।যার ভিতর এই প্রেম নেই তার অন্তর এক বিরান গৃহ।তাই এসো হে বন্ধুগণ প্রেমেতে মোজো মন।প্রেম যে কখনো মানুষকে দূরে রাখেনা।তাই আসো সবাই হাতে হাত রেখে এক পথে চলি।

লেখকের কিছু কথা :
মহান প্রভুর দরবারে অশেষ শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি যে তিনি আমাকে'সময়ের কথা'নামক কাব্যগ্রন্থটি সম্পন্ন করার তওফিক দান করেছেন।বহু প্রতীক্ষার পর আমার অঢেল ভালোবাসা দিয়ে লিখা এই বইটি শেষ করতে পেরেছি।আমি মনে করি সর্বস্তরের মানুষের কাছে পাঠ উপযোগী হবে এই বইটি।বইটিতে বর্তমান সময়ের কিছু অসঙ্গতি ঘটনার উপর লেখা কবিতা প্রকাশ করা হয়েছে।আমি মনে করি বইটি পরে সুশীল সমাজের মানুষেরা কিছু বুঝতে পারবে।বইটি অনেক যত্ন করে লিখেছি তবুও ভাষাগত কোনো ভুল রয়ে যেতে পারে।যদি বইটির কোনো কবিতার ভাষাগত কোনো ভুলের জন্য কেউ কষ্টপেয়ে থাকেন তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।মহান প্রভুর দরবারে সর্বশেষ প্রার্থনা এই যে বইটি যেন সবার আতর খোরাক হয়ে উঠে। 
                                                                                                                


                                                                                                       মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
                                                                                                        আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ


-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
নারী ধর্ষণ

মেয়ে চাই মেয়ে।
মেয়ে দিয়ে কি করবি?
অবশেষে কাঁদতে হবে,
মেয়ে হবে ধর্ষণের সঙ্গী।
চিৎকার করিয়া কাঁদিতে চাহিয়া,
করিতে পারিনি চিৎকার।
অশ্রু চোখে বুক ফেটে যায়,
কেন থাকি চুপ আর?

আমরা যেন কিছুই দেখিনা,
সবাই অন্ধ বোবা।
সমাজটা যে হয়ে গেছে,
ডিজিটালে সোজা।
ডিজিটালে চলে যেন,
নানান রকম ধর্ষণ।
সে ধর্ষণের শিকার হলো,
শিশু কিশোর সব রকম।

ভদ্র সমাজে চুপ থাকে,
কথা বললে বুক ফাটে
রক্ত লালে লাল করে,
বাংলার সন্তান

চুপ থাকো বাংলার বীর,
মুখে তোমার দেব ক্ষীর
অপরাধীর অপরাধ,
মুক্তি পেলে ক্ষতি কি?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বাংলার গান 

নতুন করে গাইবো আমি,
এই বাংলার গান।
কবে থেকে বন্ধু তোমরা,
আমায় দিবে সম্মান।

বাংলার গান গেয়েছিল,
ওই টুঙ্গি পাড়ার ছেলে।
আবার আমি গাইবো গান,
এই বাংলায় এসে।

বাংলা আমি দেখেছি,দেখিনি বঙ্গবন্ধুকে। 
জিয়া ছিল তার'ই সেনা,এই বাংলার বুকে।
বঙ্গবন্ধুর পরে যখন জিয়া হলো নেতা,
তারই গুনে বাংলায় পেলাম হাজার হাজার সোনা।

তারা ছিল বাংলার গর্ব।
আমরা তাদের করবো কেন ক্ষুন্ন?
তাদের আমরা আজীবন রাখবো,
করে ধন্য ধন্য।

বাংলাদেশ তাদের দান,
গেয়ে যাবো মোরা জয় গান।
আসুক না যত বিপদ,
রুখবো হাতে করবো শপদ।
বাংলার বন্ধু হয়ে ঘোরব,
এই বিশ্ব জগৎ।

আমি হবো বাংলার সৈনিক,
বাংলা রক্ষায় আনবো শত পথিক।
শত শত্রু রুখবো আমি এই শক্ত হাতে,
শত দুষ্কৃতীরা,পথ পাবেনা পালাতে।

দেশ আমি রক্ষা করবো,
স্বাধীন করেছে মুক্তিযোদ্ধ। 
তাদের গান গাইবো আমি,
কেয়ামত পর্যন্ত।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

তুমি নজরুল

তুমি রণবীর।
তোমার কথা বোঝার সবার আছে কি শির?
তুমি উদ্দম পথের পাহাড় চূর্ণ,
ওই মানবের বীর।

লক্ষ্য শব্দের একটি কবিতা,
তুমি নজরুল দিয়েছো শিক্ষা।
তোমার পথের কবিতা বলে,
পেয়েছি আমি দীক্ষা।

তুমি নজরুল সীমাহীন।
তোমার মতো আছে কি কোনো বীর?
সাম্যের গান গেয়েছো তুমি,
তাই তো তুমি সবার শির।

তুমি উন্নত,চির দূর্দমত।
কখনো শির করোনি অবনত
তোমার আদর্শে আমি বাড়িয়েছি হাত,
কখনো করবো না শির অবনত।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
উন্নতির পরেও অভাব 

লও লও লও,
আজ বাংলার মানুষের রক্তে রঙিন করে লও।
তুমি সন্ত্রাস,তুমি উদ্যোগ,
তুমি বাংলার অভিশাপ।
তোমার কারণে বাংলা আজ পেয়েছে যত অপবাদ।
তুমি হিংস্র,তুমি লোভী,
তুমি মানুষের অঙ্গীকার। 
তোমায় নিয়ে মানুষ খুলেছে স্বপ্নের দ্বার। 
ভেঙ্গ না,স্বপ্নে বাধা দিও না। 
চালাও সে পথে,
যে পথে রাছুল গান গেয়ে চলে গেছে। 

তোমার কারণে বাংলা পেয়েছে অপবাদ। 
তুমি যে বাংলার শত্রু,
তাতে নেই কারো প্রতিবাদ। 
ধিক্কার তোমায়,
তোমার কারণে মানুষ খোলে না মুখ তার।
তুমি নরপিশাচ তুমি গিরগিটি,
তোমার প্রতিটি ধাপে চলে দুর্নীতি।
রক্ত দেখে হয় তোমার শান্তি,
তাই বাংলার মানুষ পায়নি কখনো তৃপ্তি।

তোমায় নিয়ে বাংলা আজ গায় কত গান,
ভুলে গেছে তারা আজ সত্যের মান।
সত্য বলে কেন সে হয়ে যাবে বোঝা?
নিখোঁজ সংবাদ নিয়ে দেশ দাঁড়াবে সোজা।
সত্য যে মাটির নিচে চলে গেছে দূরে,
অল্প খুঁজলে পাবনা তারে!
এই সোনার বাংলাদেশে।

তোমার প্রশংসা করে সবাই,
নিজেকে করে ধন্য।
তুমি যে বাংলার শত্রু,
তা খোজে না কেউ করে তন্ন তন্ন। 
খুঁজতে গেলে জীবন যাবে,
এই করে ভয়।
জীবনে তবে পাবে না কেউ,
সত্যের পরিচয়।

এ দেশ আমার স্বাধীন প্রিয়,
কেন থাকবো পরাধীন?
পরাধীনতা নিয়ে ঘুড়ি,
আমি যে বস্ত্রহীন।
গণতন্ত্র হয়েছে হরণ,
আমি যে এখন দাস।
মনের কথা বলবো কাকে?
কেউ বলেনা এসে কান পাত।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
জীবন

হে জীবন,
তুমি এমন এক কষ্টের তীর ছুঁড়েছ !
যার ভরে আমি শংকিত।
চাই না এই আসন্ন জীবন,
কবে হবে মোর মরণ?
সঠিক পথের নাই দিশা,
কবে পাবো সঠিক নেশা।

অবিষণ্ণ এই জীবনে,
খুঁজিয়াছি আমি একজনেরে।
পাবো কি তার দেখা?
জানিনা তো এই ভূমন্ডলে।

জীবনে মোর সুখের তরী,
হারাইয়াছি কোন কালে!
সুখের তরী খুজিলে,
পাবো কি আর আপনজনেরে?
বলোনা আমি খুঁজি কারে?
এ জীবন ধরে।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ছেলের কান্না 

ও মাগো,
আমি যে তোমার পাগল ছেলে,
কষ্ট পাই অতি অল্পে।
হাজার লোকে পাগল বলিলে,
কিছু আসে যায় না শেষে।
তুমি যে মা বোকা বলিলে,
ব্যথা লাগে এই মনে।

ও মাগো,
আমি যে তোমার সেই ছেলে,
বড় হয়েছি আজকে।
নাকে নোলক এনে দিতে পারবো,
তাই তুমি বুকে জড়িয়ে
আমায় বাহ্ বাহ্ বলো।
ছেলে আমার হয়েছে বড়,
তাকে দেখবে একবার কাছে এসো।

যদি আমি ব্যর্থ হই মা,
ধিক্কার দেয় লোকে।
তুমি কেন মা প্রতিবাদ করো না?
কষ্ট যে আমার লাগে।
ব্যর্থ ছেলের করুন কান্না,
কেউ দেখেনা এসে।
তুমি ও মা ছি ছি বললে,
কষ্ট পাই আমি অবশেষে।

সবার কথায় রাগ করিলেও,
চুপ থাকি যে মুখে।
তুমি যে মা ব্যর্থ বলিলে,
মন থাকে না ঘরে।
আমি যে তোমার ব্যর্থ ছেলে ,
কেন কাঁদো পরিশেষে?
আমি মরার পরে,
কেউ যেন কাঁদে না আমায় ভালোবেসে।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মনের চপলতা

লোকে আমায় কিছু বলিবে?
আমি যে পাগল ভবঘুরে!
তোমার নেশায় পাগল হয়ে,
ঘুরছি আমি পথে পথে
তুমি আমার অন্তঃপুরের রানী,
তোমায় ছাড়লে আমার বক্ষ হইবে খালী।
তোমার নেশায় পাগল আমি,
ভালোবাসা দিবে কি?

সকাল বিকাল ভাবি তোমায়!
লোকে হাসে নিয়ে আমায়,
আমি যে এক পাগল ছেলে;
তোমায় ভালোবেসেছি বলে।
হাঁটি হাঁটি তোমায় ভাবি,
তোমায় ছাড়লে পাগল আমি!
তোমায় পেলে খুশি হয়ে,
আকাশ পাতাল যাই ছেড়ে।

ও আমার দেবি,
তোমায় নিয়েই খুশি আমি।
তুমি আমার অন্তঃপুরের রানী,
তাই তো তোমার কথা সকাল সন্ধ্যা ভাবি।
তুমি আমার রাতের সঙ্গী।
দিনে আমি তোমায় ভাবি,
মাঝে মাঝে ছুয়ে দেখি!
তুমি যে আমার অন্তঃপুরের রানী।
তোমার জন্যই পাগল আমি।

তুমি আমার চন্দ্র তারা,   
তুমি বীনে আমি আলো হারা।
তোমার ইশারায় মিটে এই মনের জ্বালা!
তাইতো এই মন হয়েছে আত্মহারা।
তোমাকে ভালোবেসে আমি পাগল পারা,
তাইতো সবাই আমায় বলে পাগলা।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
শেষ দিন

যেদিন বুজবে চোখ দুখানা
দেখা যাবেনা কিছু ,
সামনে থাকবে,
ধুধু  মাঠ সুদূর।

ওদিকে যাবে সবাই,
দৌড়িয়ে পালাবে।
সন্ন্যাসী আর পন্ডিত বাবু
দেখবে বসে বসে।

কত রোদ্র তাপে
কত গরমের মাঝে,
কেউ যাবে হাপিয়ে,
কেউ পার হবে সাঁতার কেটে।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
দিওয়ানা

মনের মাঝে ঝড় উঠেছে,
আকাশ পাতাল ফেড়ে।
সে ঝড়ে ডুপ দিতে,
আমার ইচ্ছে করে।
ঝড় নয়  ঝড় নয়,
আজব কারখানা।
সে কারখানা দেখতে,
আসে হাজার লোকজনা।

আজব ঘরের আজব কারখানা,
দেখেন যারা
পাগল হন তারা,
এই দুনিয়া ছাড়া।

সে ঘরে যায় ভালো,
ফেরে পাগল হয়ে।
পাগলে পাগলে
কত কথা বলে।
পাগলের কথা পাগলে বোঝে,
ভালো মানুষে নয়।
তাদের মাঝে ঝগড়া হলে,
আনন্দ নাকি হয়।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
জীবন বিন্যাস

চিনি চিনি চিনি,
সবই আমি চিনি।
চিনিনা শুধু,
আমার ঘর খানি।
যে ঘরের নাম শুনলে,
চোখ ফেটে জল পরে।
সে জল দিয়ে,
সাগর তৈরী হবে রে।

কারো হবে ঠাঁই,
কারো হবে হাই।
কেউ মরবে ডুবে,
কেউ যাবে সাঁতার কেটে।
দেখা যাবে সেদিন,
কার কত ঋণ।
পাবেন কেউ উদ্ধার,
বিন্যাস তোমার ।


------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
স্বপ্নের ঘর বাধা

অদ্ভুত পথের উদ্ভট মন,
মানে না তা কোনো বারণ।
যেতে চায় সে অচিন পথে,
অচিন সাগর পাড়ি দিতে।

সাত সমুদ্র তেরো নদী,
পাড়ি  দিবো কোনদিন জানি।
বিশ্ব ভবন জয় করে,
শাসন করবো এক শাসক হয়ে।

সে আশা অপূর্ণ,
সুলতান সোলেমানের পূর্ণ।
বিশ্ব ভবন জয় করলো,
অমর রইলো আজও।
নাকি হবো মোস্তফা,
অকারণেই প্রাণ দিবো;
হয়ে চক্রান্তের দরজা।

নাহি করবো নকল,
আমি হবো সফল।
আমার মতো আমি চলবো,
বেড়াবো এই বিশ্ব জগৎ।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আসতে চলো

জীবনের প্রতিটি ধাপে,
কত যদি যায় আসে।
কোনো নদীর কিনার যেন,
পাইনি আজও ঘুরে ফিরে।

কেমনে বলো হয়?
তোমারে খুঁজে বেড়ায়।
বলো কোথায় গেলে?
পাবো অচিন দীঘির পরিটারে।

পরি কি জানো?
মহা রূপবতী কড়ি।
কড়িতে রয়েছে,
মহাবিশ্বের বড়ি।

বিশ্ব আমি জয় করবো।
মানবোনা  কোনো বাধা।
বিশ্ব নেতা হয়ে উড়াবো,
শান্তির পতাকা।

সামনে আমি চলবো,
দৌড়াবোনা জোরে।
পিছনে ফিরে তাকাবোনা আর,
সবুর করবো বহুদিন ধরে।

সবুরেতে মেয় ফলে,
মহামানবের বানী।
সবুরেতে আল্লাহ মেলে,
কত জ্ঞানীর কাহিনী।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বিশ্বাসে মুক্তি

ভবের মায়ায় ছাড়লে জগৎ,
সেথায় মিলবে অন্ন প্রশৎ।
কোথায় গেলে পাবো তারে?
অন্ন দাতা যে হয়েছে।

খেলছো  তুমি নির্জনে ,
দেখা দিবে তুমি কোন দিনে?
ভবের মায়া ছাড়লে তবে,
দেখা হবে নিরঞ্জনে।

আঁধারেতে আলো জ্বালাও।
আলোর বেগ কোথায় পাও?
আলোর যিনি জন্ম দাতা,
সে হয়েছে তোমার ছাতা।
অন্ধকারে ডুবাই কে?
তুমি যে বন্ধু দাতার।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
প্রভাত রবি 

রাতের ঘুম ভাঙিয়ে,
যখন প্রভাত সূর্য ওঠে।
সবাই চিন্তা করে,
কিভাবে সারাটাদিন কাটাবে।
রাত যাবে দিন আসবে 
এটাই যেন নিয়ম।
এই নিয়ম ভাঙাবে,
কারো নাই সাধন।

সকালের সূর্য দেখিয়া 
কেউ বসে ধ্যানে।
কেউ আবার লাঙ্গল নিয়ে 
মাঠে মাঠে দৌড়ে।

এই হলো জীবন যুদ্ধ,
দিনের কাহিনী;
দিন কাটাবে মধুর সুখের,
এই ভাবনা সবার জানি।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বড় পীর

ওযু ছাড়া নাম লইলে কাটা যাইতো শির,
খান্দানে হযরত আপনি বড়পীর দস্তগীর।
আপনার'ই নামে চলে এই দু'জাহান,
আপনি যে খোদা তায়ালার বান্দা মহান।

আপনার'ই নামের গুনে আগুন হয় পানি,
আপনাকে পেয়ে ধন্য এই জগৎ ধরণী।
আপনি যে আওলাদে রাসূল শ্রেষ্ট উম্মত,
আপনাকে ছাড়া পাবেনা,কেউ কোনো জগৎ।

আপনি যে বড়পীর সকল পীরের শির,
তাইতো পীরের সেরা নাম গাউসুল আজম দস্তগীর।
আপনার চরণে সবার স্থান তাইতো কেউ ভোলেনা আপনায়,
তাই আপনি দিয়েন নজর করুনা যেন হয় আমার।

আপনাকে নিয়ে লেখার সাধ্য নেই আমার ,
আপনি যে বড়পীর কতশত নাম বাহার।
মহিউদ্দিন নামটি আপনার আল্লাহ দিয়াছে,
জিলান নগরে জন্ম বলে,সবাই জিলানী বলেছে।
আব্দুল কাদের নামটি আপনার জন্মের মান বায়,
সর্বময় ক্ষমতা আপনার আদর্শে পাওয়া যায়।
কুতুবে রব্বানী আপনি যে আউলিয়ার সেরা,
আপনাকে নিয়ে হয় যেন আমার জগৎ ঘেরা।


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
খোকার সকাল

এই সকালে খোকা সোনা,
ঘুম ভেঙেছে দেরিতে।
এতক্ষণ ছিল খোকা আমার,
স্বপ্নের ওই বাড়িতে।

খোকা যেন ঘুম ভাঙিয়ে,
মা মা বলে ডাকিল।
মা আমি যে বিশ্ব সেরা হয়েছি,
তা কি তুমি জানো?

খোকা যেন ঘুম ভাঙিয়ে,
হলো পাগলা শেষে।
স্বপ্নে যে কি দেখেছে,
বলছে মাকে এসে।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বড় ঈদ 

ধন্য ধন্য ধন্য তুমি,
ধন্য এ পৃথিবী। 
তোমারি কোলেতে জন্ম নিলো,
মহামানবের মহামুনি।
তাহারি আগমনে ফুটিলো ফুল,
জন্ম নিলো মানব কুল।
তাহারি চেতনায়  ফিরে পেলো,
মানব সম্মানের মূল।

তাহারি কদমে হাজার সালাম,
দরূদ জানায় আকুল।
তুমি যে মহা মানব,
মোস্তফা আজম।

ধন্য ধন্য ধন্য তুমি,
ধন্য এ পৃথিবী।
তোমার কোলেতে জন্ম নিলো,
মোস্তফা নবী।

যে নবীর পরশে,
জগৎ হইলো উজালা।
সে নবীকে ভুলিবি,
কেমনে করে মন পাগলা।
ভোলা যায় না কোনো জনমে,
বেঁধে রাখি মন পাজরে।
রাখি তারে জনম ধরে,
এই হৃদয়ের মন মন্দিরে।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
হারাইয়াছি ধন

জীবন একটা ছোট্ট রত্তি।
হারাইয়া গেলে পাইনা খুঁজি।
দুঃখ জ্বালা মনে লই,
আপন মানুষ পুড়ে খই।
এক রত্তি জীবনে কত কি করি জয়।

এক জীবনের আহাজারী,
লক্ষ্য জীবনের কান্না।
সবাই বায় শোকের ভার,
শুধু যে উল্লাস তার।

এ জীবনে পেলাম কি?
খুঁজেছি লক্ষ্য মতি।
এক রত্তি জীবনে,
কিছু নাই পেয়েছি।

শোক কাতরে পাগল হইলো,
কিছু নাই খুঁজিয়া পাইলো।
তাহারি সন্ধানে আকাশ বাতাস খুজিলো,
সে যে মনের ঘরে রহিল,
তবু তার দেখা নাহি পাইলো


---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আধুনিকতা

আজ নয়,মধুসূদন রবিন্দ্রনাথ নজরুলের যুগ!
এসেছে আধুনিকতা লেখায় পাইনা সুখ।
সেদিন কি আরও আসবে ফিরে?
যাদের কারণে বাংলা সাহিত্য গেছে জগৎ ছেয়ে।
যাদের জন্য বাংলাকে চেনে জগৎ জুড়ে!
তাদেরকে ছেড়ে বাংলা দেখায়,আধুনিকতা এসেছে।

আধুনিকতার ভিড়ে আমি নজরুলকে গেছি ভুলে,
যার কারণে বাংলা সাহিত্য অমরত্ব পেয়েছে।
রবিন্দ্রনাথের ছন্দ আমি আর করি না স্বরণ,
ছন্দ ছাড়া কবিতামালা হয়ে যায় হরন।
ছন্দের তালে লিখেছিলেন,মধুসূদন জীবনানন্দ;
ছন্দ ছাড়া কবির,কবিতা হয়ে যায় বন্ধ।

আধুনিকতা আধুনিকতা হারিয়েছি স্বাধীনতা।
তোমার দোহাই দিয়ে হয়েছি বোকা।
তাদেরকে না চিনিয়া হতে চাই কবি একটা,
আমি বড় বোকা।
ওস্তাতকে না চিনিয়া - পেতে চাই আধুনিকতা।
তাইতো পাইনি অমরত্বের মাথা,
পেয়েছি এক প্রতিবন্ধকতা।

কবি বন্ধুরা শোন,
চাই না আধুনিকতা,নজরুল মধুসূদনকে মানো।
আমি থাকতে চাইনা আধুনিকতায় বন্ধি,
করবো আমি নজরুল জীবনানন্দের সাথে সন্ধি। 

কবি বন্ধুরা মোর লেখা পড়ে কয়!
তোমার কবিতায় ছন্দ ছাড়া কথা নাহি হয়,
ছন্দ ছাড়ো কবিতা লিখো,আধুনিকতার ফিরো!
তোমার কবিতা সবাই পড়বে,কবি হিসেবে নিজকে গড়ো।
ছন্দ ছাড়া কবিতা হয়না,এটা আমি জানি!
ছন্দের তাল শিখিয়েছেন রবিন্দ্রনাথ নজরুল ইসলাম'ই।
ছন্দের গুনে কবিতা চলে তা তো আমি বলি!
যাদের কবিতায় ছন্দ চলেনা,তবুও তারা কবি।


হাইরে কবি বাসী।
আধুনিকতার পরশে তুমি,হয়েছ কবি।
পাবে তুমি অমরত্বের ছোয়া!
আমি হতে চাই মাটি।
মানবিকতা শ্রেষ্ট গুন,
মাটিকে করো অনুসরণ।
অমরত্বের ছোয়া পেতে,
মানুষকে ডেকে নাও কাছে।

ও রে রে রে।
এসেছে আধুনিকতা যে,
আমার লেখায় পায় না তা খুজে!
অমর আমি হবো কোন কৌশলে?
না,আমি ভুল করব না!
মধুসূদন রবিন্দ্রনাথ নজরুলকে ছেড়ে যাবো না।
এদেরকে ছেড়ে আমার কবিতা কখনও হবে না।
আমি কবিতায় ভালোবাসি।
ছন্দের তালে যা আসে শুধু তাই লিখি।
কি লিখি,তা কি আমি বুঝি?
আধুনিকতায় না এসে হয়েছি আমি কবি।
তাইতো বন্ধুরা দিলে নাকো দাম,
কি করে রাখিব এই লেখার মান?


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
তুমি বীর জাতি

কোথায় মুসলিম হে বীর জাতি?
দেখ না,আজ মরছে তোমার ভাই তোমার নাতি।
কাস্মীর যাচ্ছে ধুয়ে - নবীর বানী সত্য হলো যে,
পানির বদলে রক্তের বন্যা তৈরি হয়েছে।
মুসলিম জাতি বীর সেনা!
তারা কখনও ভয় করে না।
আজ কেন চুপ রও বীর জাতি?
দেখ না মরছে তোমারই নাতি।

ইমান ইমান ইমান বলো- ইমান পেলে কোথায়?
নিজের ভাই মরে যাচ্ছে,ইমানদার খবর নাহি পায়।
ইমান কেউ দেখে না মুখে-
ইমান থাকে অন্তরে,
হে বীর জাতি,নবীর বানী সত্য করতে যাও জেহাদের ময়দানে।
আমার ভাই তোমার নাতি!
খাচ্ছে আজ অত্যাচারের গুলি।
চুপ রও ভীরু ইমানদারের দল!
দেখাও না তোমার ইমানের আছে বল।
নবীর কথা শুনে সঠিক পথে চল।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
নারী

নারী তুমি এই জগতের অর্ধেক পালনকর্তা,
তোমায় ছাড়া জগৎ হতো না,বলেছে বিধাতা।
তোমার তরে সৃষ্টি এই মাখলুক জাহান,
তুমি যে ধরণী মাতা,তাইতো তুমি মহান।
তোমার পরশে এই পৃথিবী,পেয়েছে আলো!
তাইতো তোমার তরে প্রেম বিলিয়ে,সবাই বাসে ভালো।

পুরুষ হৃদয়হীন।
অন্ধ যুগে না চিনিয়া তোমায়,করেছে বিলীন।
দাসী বানিয়া রাখিয়াছে ঘরে, করেনি তোমায় পূজা!
তোমার সফলতায়,আজ হয়েছে পুরুষ সোজা।

তুমি জ্ঞানী নারী,
তোমার পরশে জগৎ চলে হয় না অশান্তি।
তোমায় যে চেনে না সেই বড় বোকা!
তোমার পরশে উড়ে শান্তির পতাকা।
নারী নারী নারী,
তুমি এই জগতের শাড়ি!
তোমার পরশে শান্তি পাই,
প্রতি ঘরে হাড়ি হাড়ি।
তুমি ছাড়া এই জগতে অন্ধকার দেখায়!
তুমি জননী,মানব তার কূল পায়।

তুমি নারী,তোমার পরশে মন শীতল হাওয়া,
তুমি রমণী,তোমার কারণে জীবনে শান্তি পাওয়া।
গুনগরিমায় তুমি অতুলনীয় সুবাস,
তোমার গন্ধে মন শীতল আকাশ।

তুমি মাতা।
তোমার তরে সৃষ্টি,তুমি মোর ছাতা।
তুমি ছাড়া মানবকুল আসতো না ধরায়!
তুমি যে স্রষ্টা,আমি বলে বেড়ায়।
নারী তুমি সঙ্গিনী।
তোমার অবদানে আমি বড় ঋণী।
মানব বাঁচাতে তুমি দিয়াছ দুগ্ধ,
তোমার পরশে মানব হয়েছে শুদ্ধ।
তাইতো নারী তুমি অর্ধ বিচরঙ্গ।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
অতীতের সুখ

আবার আমি যেতে চাই
ঐ অতীতের কাল,
সেখানেতে চির সুখ
হাসতাম সবাই মিলে।
কেন হারাইলাম এতো সুখ?
ভেবে পাইনা কেন পাইলাম দুখ?
অতীত কালে ফিরিব আমি!
আবার আনিব ছিনিয়া সুখ।

অতীতকাল ভারী মিষ্টি,
অতীতেই সুখের ঘাটি!
অতীত যে ভোলেনাই,
মানব জীবন পুরোপুরি।

বর্তমানে একা থাকি!
সুখ আমি হারাইয়াছি!
সুখের লাগিয়া ঘুরে বেড়ায়,
এই জগতের কানায় কানায়।
সুখ যে কবে দিবে ধরা?
আমার ঘরেরই এক কোনায়।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কেন এমন কর

তুমি কেন এমন কর?
তোমার জন্য কত নির্ঘুম রাত,
পাড়ি যে আমি দিব।

তুমি কেন এমন কর?
ব্যাকুল হৃদয় তোমায় দেখবে বলে,
আজও থাকে পথের ধারে।

তুমি কেন এমন কর?
মনের কথা কি বুঝিন?
তোমার জন্য মনে আমার,
করে আনা গোনা।

তুমি যে আমার প্রিয়সী,
তোমায় দেখব বলে,
গোপন রাত্রে কাঁদি  আমি!
তা কি তুমি বুঝ না?
তুমি কেন এমন কর?

হ্যা তুমি! তুমি কেন এমন কর?
তোমায় ছাড়া কি থাকব আমি?
একা একা কাঁদি ঐ ভোর রাত্রি।

ও প্রিয়া এসো না!
কাছে এসে ভালোবেসে আদর করো না!
একা একা আর যে মন সয় না,
তোমায় ছাড়া আর কিছু বুঝি না।

বার বার ডাকি তোমায়!
তোমার ছবি একেছি মন কোঠায়।
তুমি যে আমার প্রিয়া,
তোমায় ছাড়া একা যায় না থাকা।


তুমি কেন এমন কর?
আমায় দুরে রেখে,
নিরবে তুমি কাঁদো।
দুটি চোখের অংশ্রু জলে,
বুক ভাসিয়ে দাও!
আমায় তুমি কাছে নিতে,
কেন লজ্জা পাও?
বলো না,তুমি কেন এমন কর?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি কবি

আমি যে কবি,
নয় সবার মুখের ছবি!
কতজন কত কি বলে?
হয় যে আমার রাগ মাটি।
আমি সত্যের দিশারি,
সত্যকে পিছু নাহি টানি!
সত্যকে আলিঙ্গন করতে,
আমি ভালোবাসি।

আমি যে কবি,
সবার সাথেই প্রেম করি!
নারী পুরুষ দেখি না আমি,
সবাইকে মানুষ বলি।
আমি প্রেমিক,
হস্তি পিপীলিকার ভেদাভেদ কি করি?
উচু নিচু দেখিনা আমি!
সবাইকে সমান মানি।

আমি যে কবি,
সবাইকে ভালোবাসি।


---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কিছু নাই

এই সকালে সূর্য উঠেছে,
ডুবে যাবে সন্ধ্যায়।
তোমায় ছাড়া একলা আমি,
কেমনে সারাদিন কাটায়?

সকাল সকাল ভাবি আমি,
প্রভাত রবি আলো দিবি।
গ্রহনেতে কালো হবি,
খবরটা কি আমি জানি?

ভাবনার চেয়ে সত্য বড়,
দুনিয়াটা কত কালো ?
ঘুরেফিরে নাই আলো,   
একা থাকায় সব ভালো।

সত্য আছে মাটির নিচে,
মাটি খুঁড়ে পাইনা তারে।
জীবন দিয়ে সত্য খুঁজে,
থাকতে হবে সবার মাঝে।
সত্য জীবন গড়ে,   
থাকবো মোরা সবার মাঝে।

যেখানেতে যাই,
ছাই খুঁজিয়া পাই।       
জীবন যেন পুড়ে,         
গেছে কাঠ কয়লায় মিশে।       
দেহ কাষ্ঠের জীবন নিয়ে,
আছি আমি ভবেতে।

আমায় যে ফেলে দিলো,           
ওইনা বাঁশ ঝাড়েতে।     
কেউ যায়না ঐখানেতে,
একলা আমি থাকি বসে। 
তাইতো আমি দেখে যাই,
জীবনটায় কিছু নাই।     

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মা  বাবা 

আজ আমি যাবো ছুটে আমার মায়ের কোলে।
সেখানেতে চির শান্তি,
তৈরী হয়েছে যে কোল পৃথিবীর চেয়ে দামি পদার্থ দিয়ে।
মায়ের কোলে শান্তির সুবাস সুখ পাই মনে,
পৃথিবীর কোথাও নেই  সুখ সবই যে তুচ্ছ লাগে।
মা আমার আপনজন তাকে ছাড়া কষ্ট খুব,
তখন বুঝিনা এর কষ্ট যখন দেই পাড়েতে ডুব।
মা আমার রত্ন যে,
মাকে ছাড়া গরিব সব ছেলে।

বাবা আমার অনেক দামি,
পৃথিবী আমায় দিয়েছেন তিনি।
বাবাকে দেখলে প্রাণ ভরে,নিঃশ্বাস নিতে আনন্দ লাগে।
তিনি আমার আদর্শ পিতা পেয়েছি কত সাধনার পরে।
বাবাকে ছাড়া কিছুই শিখতাম না এই পৃথিবীতে।
তিনি আমায় শিক্ষা দিয়েছেন,
কি করিলে ছেলে মানুষ হবে।
তাইতো আমি ভালোবাসি,
তাকে আমার জীবনের চেয়েও বেশি।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কবির কবিতা

কবিতা লিখি কবিতা বলি,

কবিতায় জীবন গড়ি।
কবিতার জন্য সাত সাগর,
পাড়ি দিতে পারি।

কবিতায় বাঁচি কবিতায় মরি,

কবিতায় খাই পড়ি।
কবিতার জন্য হাসতে হাসতে,
সব জয় করতে পারি।

হাসতে হাসতে ছন্দ ভাব,

ভাবতে ভাবতে কবিতা লিখো।
মনের আবেগ ফুটিয়ে তোলো,
কবিতার ভিতর।

ভাব মনে দিয়ে উপভোগ করো,

কবিতা হবে জন্ম জন্মান্তর।
হয়না যেন চুরি তার ভিতর,
জয় করো অমরোত্তর,

কেন তুমি একা?

কবিতার সাথে করো দেখা।
ভেতর আবেগে মিলন রেখা,
এই হলো কবির কথা।

কবি'রা নাহি কখনো একা,

সাথে আছে একাধিক কথা।
মিলনে মিলবে মধুর রেখা,
শব্দে মিলবে ভান্ডার কথা। 


------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মানুষ কেমন

মানুষ কি এমন?
ভুলে যায় সারাক্ষণ,
স্বার্থ ছাড়া করেন স্মরণ।
এই কি মানুষের লক্ষণ?
স্বার্থের মাঝে ডুবে আছে,
যেন সাত রাজার ধন?
তাইতো সবাই করে এমন,
স্বার্থ ছাড়া এ জীবনে,
পাইনি কারো দর্শন।   
   
স্বার্থ বীণে যে এগিয়েছে,
সে যেন বিধাতা।
আমার  কাছে চায়না কিছু,
চায় শুধু প্রেম লতা।
প্রেমের মাঝে ডুবে আছে,
বিধাতার উদারতা।

আসোনা প্রেম করি,
বিধাতার সাথে,
সেখানে থাকবে তুমি,
অমরত্বের তটে।

সাধন করো মন,
সেই মানুষের বড় ধন।
সেই খানেতে পাবে তুমি,
আল্লাহ রাছুলের দর্শন।
সেটা হলো মানুষের কাছে।
অমূল্য রতন।  
সাধন করো মানুষের মন।

যাও তুমি পরবনে। 
সেখানেতে নামাজ হবে।
পরবন নিজের করে ,
দেখা পাবে রাছুলেরে।  
মিলবে তোমার অমূল্য রতন।
যাও তুমি পরবন,
সেখানেতে পাবে তুমি,
আল্লাহ রাছুলের দর্শন।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
জীবন 

হে জীবন।
তুমি এমন এক কষ্টের তীর ছুঁড়েছ,
যার ভরে  আমি শংকিত।
চাই না এই আসন্ন জীবন,
কবে হবে মোর মরণ?
সঠিক পথের নাই দিশা,
কবে পাবো সঠিক নেশা। 

অবিষণ্ণ এই জীবনে,
খুঁজিয়াছি আমি একজনেরে।
পাবো কি তার দেখা?
জানিনা তো এই ভূমন্ডলে। 

জীবনে মোর সুখের তরী,
হারাইয়াছি কোন কালে।
সুখের তরী খুজিলে,
পাবো কি আর আপনজনেরে?
বলোনা আমি খুঁজি কারে?
এ জীবন ধরে।


---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
গুরু প্রেম

ও আমার প্রেমিক,
আপনার  প্রেমে পড়েছি আমি।
তাই ঘুরি এদিক সেদিক।

আপনি নেন আমায় কাছে ডেকে,
আপনাকে দেখবো মন ভরে।
আপনি আমার হৃদয় মনে,
বসেছেন আসন পেতে।

আপনাকে দেখে পাগল হলাম,
আপনারই ছন্দে।
আপনি  আমায় দেবেন কি?
আপনারই পদতলে আছে যে ধূলি।
ওই ধূলিতে ধন্য হবে,
আমারি শির।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
নির্যাতিত পুরুষ 

জীবন যেমন হয় রুদ্রখর,
কষ্টের ভাত তেমনি সিদ্ধ কর।
ক্লান্তি শেষে ঘরেতে ফেরে,
বৌ কেমনে রান্না করিবে।
মাথায় কি চোখ নাই?
ক্লান্তিতে জীবন যায়।
রান্না ঘর দেখো,
ওই দিকে ডাকে তোমায়।

বড় পরিতাপের বিষয়,
বৌকে বলি কেন চাকরি কর।
বৌ থাকবে রান্না ঘরে, 
এটাই তার পরিচয়।

সবাই চলে উল্টো দিক,
বৌ যা বলে তাই ঠিক।
দুজনেই হবো চাকর,
সংসার হবে বৃহত্তর।
চলো যাই ঘরে,
বৌ পাঠাবে রান্নার ছলে।
এই ক্লান্ত দপুরে,
ভাত  নাও নিজ থালে।

চাকর কে বলো তোমার?
তুমি চাইবে আরাম আবার।
অধিকার বাদ দিয়ে,
থাকো একটুও কর্মের দিকে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
খাতা কলম 

আমি চিনি কলম,
মানেনা সে কোনো বারণ;
যেতে চায় সে খাতার পাতায়,
খাতা যেন করিবে পুরুন।

অপেক্ষায় অপেক্ষায় রাত্রি জাগি,
কবিতা কে যে তৈরী করবি?
খালি পেটে জেগে আছি,
এই না ভরা রাত্রি।
কলম আমার সঙ্গী,
দুজন মিলে রাত্রি জাগি।
একই সাথে থাকি মোরা,
হয়না কোনো মারামারি।

খাতা কলমে পিরিতি,
সাক্ষী থাকবে কবি গোষ্ঠী।
বদনাম করবে প্রতিবেশী,
তবু করবে না তারা মিনতি।


--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি ভুল 

আমি যে নয় অপরাধী,
সেটা আমি ভুল করেছি।
আমি করি না বেয়াদবি,
সেটা আমি ভুল করেছি।
আমি যে মিষ্টভাষী,
সবাই আমায় বলে দোষী।
আমি যে কি করেছি?
জন্মেই ভুল হয়েছি।

মাতৃকোলে জন্ম নিয়েছি,
বাবা ছিল অপরাধী;
মা হলো অভাবী।
আমার জন্মটা যে মিছেমিছি।
করেছি বড় ভুল,
জন্মেছি মাতৃকোল।
মানব রূপে এসে আমি,
হয়েছি অপরাধী।

হে বিধাতা আমার,
উঠিয়ে নাও ঈশা মারিয়াম।
ধন্য হবে মানব জনম,
আর আসবো না দুনিয়ায়।
স্বপ্নের বীজ বুনে,
রয়েছি বহুদিন ধরে।

আমি ভুল ভুল ভুল,
শব্দটি গেঁথেছি হৃদয়কুল।
যেটা করি সেটাই ভুল,
কবে পাবো সঠিক কুল?
সে যে ভুল করেছে,
আমার  জন্মেই ভুল হয়েছে।

পেলাম না খুঁজে একটি মানব,
যে আমার বুঝিবে ক্বলব।
হৃদয় মাঝে আছে ঝলক,
কবে পাবো আলোর ফলক?

ভুল ভুল ভুল,
শব্দটা যে বলেছে এক লোক।
কান পেতে শুনিনী,
তাই জন্মেই করেছি ভুল আমি।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আসিব না ফিরে

আম পাতা জোড়া জোড়া,
আসছে যেন কারা?
আমায় যে নিয়ে যাবে,
না ফেরার ওই বেলা।
কবে যাবো জানিনা,
তাদের আমি চিনিনা।
তাদের আসতে দেখে,
ভয় পাবো আমি অবশেষে।

থাকি থাকি করি,
নাহি থাকিতে পারি।
যাইতে হইবে আমায়,
অচেনা ওই কুঠুরি।

শেষেতে দিবে কষ্ট,
পাপেতে হয়েছ নষ্ট।
জীবন বড় অতিষ্ট,
চাপা দিলে পাবে কষ্ট।
বন্ধু বলবে ছাড়ো তাহায়,
কষ্ট দিওনা আর আমায়।
সে যে আমার প্রিয়জন,
আমার মাঝে একজন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বিতরণ

শাড়ি নামটি অপরুপ,
ঢাকিতে পারে না নারীর রূপ।
নারীতে সুন্দর শাড়িতে গৌরবোজ্জল।
নারী শাড়িতে অপরূপ কল্পনাছল।
বারো হাত শাড়ি পাঁচ ফুট নারী,
অঙ্গ ঢাকিতে পারেনা তাহারি।

দেখো তোমরা দেশ,
নাই কল্পনার লেশ।
ধনীরা পাই ভরি ভরি,
গরিবের কত আহাজারি।

অম্ল সুধা পাইলে,
দিবো আমি বিলিয়ে।
এক মুঠো শস্যে,
জীবন পার হইবে।

সাধন করো মন,
অসহায়ের নিওনা জীবন।
সুন্দর করে দেখিয়ে দিও,
ওই দেখা যায় কাশবন।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
পিরিতের ফল 

পিরিতি জান্নাতের চাবি,
মোর কপালে হইলোনা।
পিরিতি করিল মইনুদ্দীন,
জানাইয়া দিলো যাতনা।

সয়না দেহে পিরিতের ব্যথা,
কেমনে পাবো মাশুকের দেখা?
এইনা মাশুক লুকাইয়াছে,
দেহের মাঝে খেলা করে।


পিরিতি কাঁঠালের আঠা,
লাগলে পরে ছাড়েনা।
এই পিরিতে পাগল হইয়া,
মনসুর যে হইলো দেওয়ানা।
নিজেরে আল্লাহ বলিল,
পূর্ণরূপ বলিল না।
কাফের বলিয়া আখ্যা দিলো,
সমাজ আলেম উলামা।

তুমি থাকো কোন নিরালায়?
দেখা দাও একবার হেথায়।
কি খেলা খেলছো ভবে?
কুল কিনারা নাহি পাই।

তোমার প্রেমে অন্ধ আমি,
পুড়ি দিবা রাত্রি।
সেই প্রেমেতে পাগল হইলো,
কত আশেক মুসাফির।


পিরিতি জান্নাতের চাবি,
পাইলে পরে হারায় না।
এই পিরিতে পাগল হইলো,
গাউসুল আজম রব্বানা।
অমর হইয়া রইলো দুনিয়ায়,
কেউ তাহারে ভোলে নাই।
সবকিছু শাসন করিল,
এই জগতের মাঝখানায়।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ভেদাভেদ

জন্মভূমি তোমায় আমি দেখিয়াছি,
কত রকম মানুষ বেড়ায় সেথায়।
শত কষ্ট দেখিয়াছি,
মুছিবার কেহ  নাই।
ভাঙো বেগ তোলো শির,
হাজার কষ্ট মুছিয়া তুমি,
চলে যাও গাঙতীর।

সেথায় তুমি বাঁধ ঘর,
নাহি কেউ পর।
এক স্রষ্টার সৃষ্টি মোরা,
সবাই ভাই বেরাদর।

কেন এত ভেদাভেদ?
চাই মোরা বন্ধু দেব।
একই রঙের রক্ত মোদের,
কেন করো ভেদাভেদ।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
প্রেমের ঈদ

ঈদের হাওয়া বইছে মনে,
গাইবো সান আমি আল্লাহর সনে।
আশেক রাছুল দিল মনে,
থাকিব আমি রাছুলের দীনে।

জীবন আমার মধুময়,
জেগেছে প্রেম সাগর।
অমরত্বের ছোঁয়া পেতে,
পাগল হওরে রাছুলের প্রেমে।
গোলাম হয়ে ঘুরে বেড়াও,
আল্লাহর দর্শন পেতে।

কত মজা সেই সুধা,
রাছুলের দর্শন মিঠা।
ভোলা কি যায় সেথা,
দেখা দেবে অমর পিয়ালা।
প্রাণ করো অম্ল সুধা,
অমর হবে জগৎ মজা।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কবিতা 

কবিতা কি?
ভেবেছো কি কোনোদিন?
মনের আবেগ ফুটিয়ে ওঠে,
এই হলো কবিতার মূলভিত্তি।
কবি কবি কবি,
নাহি কবিতা হয়।
কবিতা লিখিতে চাই,
আবেগ থাকিতে হয়।

মরুভূমির বুকে চিক চিক করছে,
পানি মনে হয় পা পুড়ে যাচ্ছে।
পানি কোথায় পাই মরুভূমির বুকে?
পানি পেতে হলে সাগর তীরে যাইতে হইবে।
পানি পেয়েছি সাগর তীরে।
কবিতা ফুটিয়ে উঠিবে,
গ্রাম গঞ্জের মাঠে।

নগর শহর জ্যামে ভরা।
কবিতার আবেগ নষ্ট হারা।
ফুটিয়ে তোলো আবেগ,
সাগর তীরে ঢেউয়ের বেগ।
সেই বেগে কবিতার সৃষ্টি,
কবি পাবে নতুন দৃষ্টি।
সেই দৃষ্টিতে ছিল বুলিয়ে ,
দেখে নেবে সমাজ সাগরে।
নতুন ছন্দ মিলে যাবে,
আরেক কবিতার জন্ম হবে।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
টাকায় সব

টাকা টাকা টাকা করি,
টাকার নাই ঘর বাড়ি।
টাকা দিয়া সংসার গড়ি,
টাকাতেই ভাত মিলি।
টাকা আছে যার ভরি ভরি,
সম্মান তার নাহি কারি।
টাকা দিয়া সম্মান কিনি,
সম্মানের নাই অধিকারী।

তুমি আমি একজন,
টাকা আছে সর্বক্ষণ।
নাই কোনো ভেদাভেদ,
টাকাতেই সব শেষ।
টাকা আমার বন্ধুবর,
টাকা দিয়ে সব কর।
গোপন থাকবে সব ঘর,
টাকা আছে কত বের কর।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বিদ্রোহ    

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু,
কে বলে তাহা। 
জাতির পিতা ইব্রাহিম,
বলেন আল্লাহ তায়ালা। 
বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা;
বলিবেন যে,
কাফের মুশরিক ইহুদি,
হইবেন সে।

মুসলমান সারা জীবন,
বলিয়া যায়।
ইব্রাহিম ছাড়া জাতির পিতা,
কেউ নাহি হায়।
এ কথা কোরানেতে,
বলেন পাক রব্বানী।
তোমরা সবাই এ কথা,
প্রচার করো এক্ষনি।

বঙ্গবন্ধুকে বলবো মোরা,
বাংলার জনক।
তার জন্য বাংলায় পেয়েছি,
একটুকু নোলক।

চির অমর বঙ্গবন্ধু,
চির অমর জিয়া।
তাদের নিয়ে গর্ব আমার,
বাংলাদেশকে দেখিয়া।

বাংলাদেশ তাদের দান,
দেবো মোরা এর প্রতিদান।
করবো মোরা শ্রদ্ধা তাদের,
এ দেশকে দেখিয়া।

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মানুষ কে 

কে বা গায় কার গান।
নিজেকে নিন্দা করে,
অন্যকে উপরে উঠান।

গাহি আমি সাম্যের গান।
যেখানে সেখানে দেখি,
লোভী সব দারোয়ান।
সবাই টাকাকে করে সম্মান।

একটু খানি লোভে অপমান করে।
মাতৃভূমিকে তুচ্ছ বলে,
দিন রাত গালি পারে।

কে ওরা অর্থলিপ্সু দল।
মাকে অপমান করে,
খালাকে সঙ্গে নিয়ে চল।
বেগে ঝাঁট মারি তাদের,
যাদের কারণে দেশ আজ,
চলেনা সামনেতে।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
সংগ্রাম 

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি,
জানাই স্বাগতম তাহাদেরই।
যাদের কারণে দেশ,
স্বাধীন হলো।
পেলাম না স্বাধীনতা,
আমরা আজও।

গর্ব তাদের কোথায় গেলো,
দেশ যারা স্বাধীন করলো।
পরাধীন রয়ে গেলো,
বাংলাদেশ আজও।

পরের কথা শুনতে গেলে,
মাথা যায় নিচে পরে;
দেশ তবে উন্নতির দিকে,
গেলো না আজও রে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
ধর্মের জাত

গাহি সাম্যের গান।
যেখানে সবাই মানুষ বলে হয় প্রমাণ।
আমরা সবে কেন বলি জাতের কথা,
জাত এসে খায় যে সব কিছুর মাথা।
জাতের নামে চলি মোরা, হিন্দু বৌদ্ধ মুসলিম খিশ্চান।
সব কিছুর স্রষ্টা এক,তাই মোরা সবাই সমান।
মোল্লা বলিছে,যেও না হিন্দু শাস্ত্রে,
শেরেক হইবে তোমার ঐ মুর্তি দেখিলে।
শেরেকের নামে ধর্ম বাজি চালায় মোল্লা পাজি!
মুর্খ রাজার পূজা হয়ে সব কিছুতে হই রাজি।

পুরুত গনে কইছেন সবে,শোন হিন্দু বাসী!
লাগাইও না তুমি মোল্লার ছায়া,জাত যাইবে চলি।
যবনের ঘরের অন্ন খাইলে জাত যায় চলে!
লক্ষী স্বরসতী থাকেনা,যায় ঘরে ছেড়ে।
সপ্তাহে একদিন যায় ধর্মালয়ে,ঐ খিশ্চান দলে দলে!
তাদের যেন ধন থাকে,প্রতি ঘরে মণে মণে।  
হাইরে ধর্মবাসী!
ধর্মের নামে করো তুমি,মূর্খের দেশে রাজনীতি।

ধর্মের গান গায়,
ধর্ম দিয়ে কেন সে জাতের মাথা খায়?
একই পিতার সন্তান মোরা,কেন জাতের কথা কয়?
মোল্লা পুরুত জাতের মিথ্যা,সব করে জয়।
জাত জাত জাত করে,বিভেদ করে মানুষেরে!
ঐ ধর্ম গুরুর দলে।
মানুষেরে ঘৃণা করে কেমনে,তুমি স্রষ্টারে পাইবে?

তুমি মুর্খ ধর্মবাসী!
গ্রন্থের দোহাই দিয়ে তুমি,মানুষেরে মারো লাথি।
ঐ গ্রন্থ মুল্যহীন ক্ষুদ্র দেহের কাছে,
আজ ভিখারি কাল হইতে পারে রাজ রাজা শেষে।
রাখাল বলিয়া কারে মারো লাথি!
সেই হইতে পারে তোমার দেবতা চোখে দেখেছ নাকি?
তুমি অন্ধ পড়িয়াছ গ্রন্থ,দেখনাই মানুষের মন!
কিভাবে বুঝিবে?ঐ ক্ষুদ্রদেহে আছে এক ধন।
মানুষেরে!সকল সৃষ্টির শ্রেষ্ট করিলেন স্রষ্টা।
কেমনে মারিব আমি ক্ষুদ্র প্রাণিকে লাথি একটা।
ধর্মের পেটে মারি লাথি,
যে ধর্ম মানুষেরে বিভেদ করিতে রাজি।

কোথায়?আদম দাঊদ ঈশা মূসা ইব্রাহিম মোহাম্মদ!
তোমাদের সন্তান ধর্মকে-করেছে নিজের সম্পদ।
এরা আমাদের পিতা পিতামহ,দিয়েছেন আমাদের জ্ঞান!
এরা ছিল সব জামানায়,সব চেয়ে মহান।
তাদের জ্ঞানে হও জ্ঞানী ওহে ধর্ম বাসী!
করিও না তুমি মানুষেরে ঘৃণা,লাগাইও না মিথ্যা দুষি।

ওরা ধর্মের জালে বন্ধি।
কিভাবে করিবে ঐ স্রষ্টার সাথে সন্ধি।
ওরা ধর্মটাকে পুজি করে বড় জান্নাত চায়!
মানুষেরে মেরে কেমনে স্রষ্টারে পায়।
মানুষের মাঝে স্রষ্টা,লুকাইয়া আছেন বসি।
মানুষেরে ভালোবাস,তুমি স্রষ্টারে পাইবে খুঁজি।

শোন ধর্মবাসী।
মানুষেরে ভালোবাসিয়া তুমি স্রষ্টারে লও খুঁজি।
ভেদাভেদ ছাড়ো,আছে যত ধর্মের জাত!
নর ও নারীতে শুধু স্রষ্টারই সেফাত।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
তুমি নওগাঁর সন্তান  

তুমি বীর,
তুমি ছিলে উত্তরবঙ্গের শির!
তোমার মতো নেতা পাওয়া কঠিন,
তাইতো বলি উত্তরবঙ্গ,তুমি তুলনা বিহীন।
তুমি যে উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ট সন্তান,
তাই আব্দুল জলিল তুমি মহান।
তোমার পরশে তৈরী হলো এই মুক্তিযোদ্ধা,
দেশ স্বাধীন করলো যে বাঙালি বীর যোদ্ধা।
বাংলার তুমি ছিলে অতন্দ্র প্রহরী,
তোমার জন্য উত্তরে হচ্ছে বাড়ি গাড়ি।

তুমি নওগাঁর বীর,
তোমার পরে নওগাঁয় নেই কোনো শির!
হঠাৎ করে উঠে দাঁড়ালো তোমার ছেলে,
তাই তো তোমার আদর্শ আছে প্রতি ঘরে ঘরে।
তোমার আদর্শে আদর্শীত এই নওগাঁ,
তোমায় ছাড়া শুন্য দেখায় প্রতিটি গাঁ।

প্রতি রাতে স্বপ্ন দেখি তুমি আমার ঘরে,
না না এ যে তোমার ছেলে।
একা একা ভাবি আমি,
তোমার অভাব পূর্ণ হলো বুঝি!
নওগাঁয় বুঝি শান্তি এলো দুলে,
নিজামউদ্দিন তোমার পরশে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বিজয়ের গান

বিজয় বিজয় বিজয় বলো,
বিজয় পেলে কোথায়?
বিজয়ের জন্য জীবন দিল,
ত্রিশ লক্ষ জনতায়।

বঙ্গবন্ধু জেলে গেল,
কত মা বোন মান হারালো,
শত্রুদের পরাজিত করল,
ওরা বিজয়কে ছিনিয়ে আনল।

বিজয় বিজয় বিজয় বলো,
বিজয়ের মান পেলে কোথায়?
বিজয়কে রক্ষা কর,
শত্রুতে রুখে দাড়াও।

ডিসেম্বর তুমি অমরত্ব,
শ্রেষ্ট একটি মাস।
এই মাসেই পালিয়ে গেল,
দেশের সকল নাপাক।

পাক দেশে জন্ম নিল,
নতুন শত্রু ধিরে।
এতিম করে গেল চলে,
নাপাক দল এসে।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
কবি পরিচিতি:
কবি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ১৯৯৫ সালের ২রা জানুয়ারী নওগাঁ সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের সরইল গ্রামে মো:নিজাম উদ্দিন এর ঔরসে ও মোছা:আমেনা বিবি'র গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন।কবি ছয় ভাই বোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ তাই সবার ভালোবাসার পাত্র।কবি মাধ্যমিক পাস করার পর থেকে লেখার প্রতি আগ্রহ জেগে ওঠে ।তখন থেকেই কবি গুটি গুটি পায়ে কবির লেখা এগিয়ে যেতে থাকে।বহু প্রতিবন্ধকতার মাঝেও কবি তার লেখা চালিয়ে যেতে থাকে।বিভিন্ন সমস্যার কারণে কবি তার কোনো লেখা প্রকাশ করতে পারতো না। তবে  অনেক বাধার পরেও সর্ব প্রথম বাঙালির প্রাণের  বইমেলা ২০১৯ এ কবির কয়েকটি যৌথ কাব্য গন্থ : 'কষ্টের ফেরিওয়ালা', 'বই', 'নাজেকসাপের  কবি ','আলোর দিশারী' ও 'বিরহ বিধুর' প্রকাশ পেয়েছে।এভাবে গুটি গুটি পায়ে কবির ভালোবাসা এগিয়ে যেতে থাকে।শত কষ্টের মাঝেও আবার প্রকাশ পেলো কবির বই। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০ এ কবির একক কাব্যগ্রন্থ 'জোছনা ও জননী' নামক বইটি প্রকাশ পেয়েছে এবং ১৭ই ২০২০ এ বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে কবির ২০২০ লাইনের 'বঙ্গবন্ধু প্রেম বাংলার প্রাণ' নামক একটি কবিতা বই আকারে প্রকাশ পায়।তাছাড়াও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পত্রিকায় কবির লেখা প্রকাশ পায়।






কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন